পাবনা প্রতিনিধি

দাম্পত্য কলহ দূর, মনের মানুষকে কাছে পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা, গর্ভধারণে সক্ষমতার ব্যবস্থা করা, প্যারালাইসিস রোগের উপশমসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার ফাঁদে ফেলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন রেজাউল করিম (৪০) নামের এক কথিত কবিরাজ। এসব অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় পাঁচটি খুলিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) কামরুজ্জামান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পাবনার জেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা, থানা-পুলিশসহ এলাকাবাসী।
কারাদণ্ড পাওয়া রেজাউল করিম আটঘরিয়া পৌরসভার ধলেশ্বর মহল্লার বাসিন্দা। কারাদণ্ডের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ইউএনও নাহারুল ইসলাম।
পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কবিরাজ রেজাউল করিম অনেক দিন ধরে অসহায় মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। পাবনা জেলার এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ধলেশ্বর মহল্লার রেজাউলের নিজ বাড়ির আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

রেজাউলের আস্তানা থেকে পাঁচটি মাথার খুলি, তসবি, সনাতন ধর্মের বই, ত্রিশূল, একটি লোহার বড় চেন, শঙ্খ, সিঁদুরসহ বিভিন্ন গাছগাছালির ছাল জব্দ করা হয়। পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে রেজাউলকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ইউএনও নাহারুল ইসলাম বলেন, ভুয়া কবিরাজকে গ্রেপ্তার করে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক দিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতেন তিনি। এসব অপকর্মে আরও জড়িতদের সন্ধান পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দাম্পত্য কলহ দূর, মনের মানুষকে কাছে পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা, গর্ভধারণে সক্ষমতার ব্যবস্থা করা, প্যারালাইসিস রোগের উপশমসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার ফাঁদে ফেলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন রেজাউল করিম (৪০) নামের এক কথিত কবিরাজ। এসব অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় পাঁচটি খুলিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) কামরুজ্জামান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পাবনার জেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা, থানা-পুলিশসহ এলাকাবাসী।
কারাদণ্ড পাওয়া রেজাউল করিম আটঘরিয়া পৌরসভার ধলেশ্বর মহল্লার বাসিন্দা। কারাদণ্ডের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ইউএনও নাহারুল ইসলাম।
পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কবিরাজ রেজাউল করিম অনেক দিন ধরে অসহায় মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। পাবনা জেলার এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ধলেশ্বর মহল্লার রেজাউলের নিজ বাড়ির আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

রেজাউলের আস্তানা থেকে পাঁচটি মাথার খুলি, তসবি, সনাতন ধর্মের বই, ত্রিশূল, একটি লোহার বড় চেন, শঙ্খ, সিঁদুরসহ বিভিন্ন গাছগাছালির ছাল জব্দ করা হয়। পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে রেজাউলকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ইউএনও নাহারুল ইসলাম বলেন, ভুয়া কবিরাজকে গ্রেপ্তার করে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক দিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতেন তিনি। এসব অপকর্মে আরও জড়িতদের সন্ধান পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে