পাবনা প্রতিনিধি

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চতুর্থবারের মতো নিজ জেলা পাবনায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ রোববার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে পাবনার শহিদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি।
এ সময় পাবনার জেলা প্রশাসক মুহা. আসাদুজ্জামান, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।
সেখান থেকে পাবনা সার্কিট হাউসে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতি গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। জেলা প্রশাসক মুহা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রপতি চতুর্থবারের মতো নিজ জেলা পাবনায় ইতিমধ্যে পৌঁছেছেন। শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পাবনা সফর ঘিরে ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তার সফর যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়, সে জন্য প্রশাসন তৎপর থাকবে।
সফরসূচি অনুযায়ী জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পাবনা সার্কিট হাউসে বিশ্রাম গ্রহণ ও রাত যাপন করবেন।
এরপর আগামীকাল ১০ জুন বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে পাবনার সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। দুপুর ১টার দিকে সার্কিট হাউসের উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং সার্কিট হাউসে রাত যাপন করবেন।
এরপর ১১ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, দুপুর ১টার দিকে সার্কিট হাউজের উদ্দেশে যাত্রা করবেন ও রাত যাপন করবেন। ১২ জুন দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে পাবনা থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন রাষ্ট্রপতি।
এদিকে অভিনন্দন জানিয়ে জেলা শহরজুড়ে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙাচ্ছে নেতা-কর্মীরা। এর আগের কয়েকটি সফরে তিনি পাবনার উন্নয়নমূলক বেশ কিছু কাজের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেগুলো বাস্তবায়নের পথে।
পাবনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী বলেন, রাষ্ট্রপতির পাবনা সফরকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চতুর্থবারের মতো নিজ জেলা পাবনায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ রোববার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে পাবনার শহিদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি।
এ সময় পাবনার জেলা প্রশাসক মুহা. আসাদুজ্জামান, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।
সেখান থেকে পাবনা সার্কিট হাউসে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতি গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। জেলা প্রশাসক মুহা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রপতি চতুর্থবারের মতো নিজ জেলা পাবনায় ইতিমধ্যে পৌঁছেছেন। শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পাবনা সফর ঘিরে ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তার সফর যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়, সে জন্য প্রশাসন তৎপর থাকবে।
সফরসূচি অনুযায়ী জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পাবনা সার্কিট হাউসে বিশ্রাম গ্রহণ ও রাত যাপন করবেন।
এরপর আগামীকাল ১০ জুন বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে পাবনার সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। দুপুর ১টার দিকে সার্কিট হাউসের উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং সার্কিট হাউসে রাত যাপন করবেন।
এরপর ১১ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, দুপুর ১টার দিকে সার্কিট হাউজের উদ্দেশে যাত্রা করবেন ও রাত যাপন করবেন। ১২ জুন দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে পাবনা থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন রাষ্ট্রপতি।
এদিকে অভিনন্দন জানিয়ে জেলা শহরজুড়ে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙাচ্ছে নেতা-কর্মীরা। এর আগের কয়েকটি সফরে তিনি পাবনার উন্নয়নমূলক বেশ কিছু কাজের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেগুলো বাস্তবায়নের পথে।
পাবনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী বলেন, রাষ্ট্রপতির পাবনা সফরকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে