নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে কয়েকটি বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আবদুল্ল্যাহ আল মামুন নামের এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম করেছে হামলাকারীরা। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ছোট ভাই ও কৃষক দলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের।
গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিবপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় মুদ্দা মার্কেট এলাকার সাগরের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ব্যবসায়ী আবদুল্ল্যাহ আল মামুন। তখন ইউনিয়ন তাঁতী দলের সভাপতি আরজুর নেতৃত্বে ৮-১০ জন এসে মামুনকে মারধর করে দোকান থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে মামুনের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা একত্র হয়ে পাশের খাজা মার্কেট এলাকা থেকে মামুনকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনার জেরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আরজু ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহমুদের ভাই শুভলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অস্ত্রধারী শিবপুর গ্রামে জুঁই অ্যাগ্রো ফার্ম, সাগরের চায়ের দোকান, বিএনপির নেতা মহি উদ্দিনসহ ৭-৮টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা সাগরের দোকানে লুটপাট চালায় বলেও অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
জুঁই অ্যাগ্রো ফার্মের পরিচালক নূর উদ্দিন আনিস অভিযোগ করে বলেন, ‘স্থানীয় বিএনপি কর্মী নূর ইসলাম গত ৫ আগস্টের পর থেকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে—এলাকায় থাকতে হলে, ব্যবসা করতে হলে তাদের চাঁদা দিতে হবে। কিন্তু তাদের চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে তারা আমার খামারে হামলা চালিয়ে গেট ভাঙচুর এবং খামারের ভেতরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে খামারে থাকা ৬টি গরুর শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়। সকালে প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসক এনে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
আহত মামুনের বাবা বেলাল হোসেন বলেন, তাঁর ছেলে কিশোরগঞ্জে গার্মেন্টসের ব্যবসা করেন। কয়েক মাস ধরে মামুনের কাছে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহমুদের ছোট ভাই শুভল ও ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক আরজু। মামুন এলাকায় এলে তাঁরা এই টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এর সূত্র ধরে দাবি করা টাকার জন্য সন্ধ্যায় সাগরের দোকানে মামুনকে আটক করে মারধরের পর অপরহণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মামুনকে উদ্ধার করা হয়।
নোয়ান্নই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মহি উদ্দিন বলেন, মামুনকে অপহরণের পর তিনিসহ লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে আনার কারণে আরজু, শুভলরা সন্ত্রাসীদের নিয়ে তাঁর বসতঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। বিএনপির লোক হয়েও দলের অন্যদের হাতে নির্যাতনের শিকার এই নেতা ঊর্ধ্বতন নেতাদের কাছে এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহমুদুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘আজ দুপুরে আমি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো দেখে এসেছি। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে। উভয় পক্ষ আমাদের দলের লোক। সবাইকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে।’
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ‘এটি দলীয় কোনো বিষয় নয়। তাদের নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আমার ভাই শুভল মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, মারামারি করতে নয়। এ ছাড়া যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের একটি পক্ষ হামলা চালিয়ে কৃষক দলের আহ্বায়ক আরজুর হাত ভেঙে দিয়েছে। তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি।’
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, ‘এ বিষয়ে কেউ আমাদের জানায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে কয়েকটি বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আবদুল্ল্যাহ আল মামুন নামের এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম করেছে হামলাকারীরা। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ছোট ভাই ও কৃষক দলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের।
গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিবপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় মুদ্দা মার্কেট এলাকার সাগরের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ব্যবসায়ী আবদুল্ল্যাহ আল মামুন। তখন ইউনিয়ন তাঁতী দলের সভাপতি আরজুর নেতৃত্বে ৮-১০ জন এসে মামুনকে মারধর করে দোকান থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে মামুনের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা একত্র হয়ে পাশের খাজা মার্কেট এলাকা থেকে মামুনকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনার জেরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আরজু ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহমুদের ভাই শুভলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অস্ত্রধারী শিবপুর গ্রামে জুঁই অ্যাগ্রো ফার্ম, সাগরের চায়ের দোকান, বিএনপির নেতা মহি উদ্দিনসহ ৭-৮টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা সাগরের দোকানে লুটপাট চালায় বলেও অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
জুঁই অ্যাগ্রো ফার্মের পরিচালক নূর উদ্দিন আনিস অভিযোগ করে বলেন, ‘স্থানীয় বিএনপি কর্মী নূর ইসলাম গত ৫ আগস্টের পর থেকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে—এলাকায় থাকতে হলে, ব্যবসা করতে হলে তাদের চাঁদা দিতে হবে। কিন্তু তাদের চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে তারা আমার খামারে হামলা চালিয়ে গেট ভাঙচুর এবং খামারের ভেতরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে খামারে থাকা ৬টি গরুর শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়। সকালে প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসক এনে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
আহত মামুনের বাবা বেলাল হোসেন বলেন, তাঁর ছেলে কিশোরগঞ্জে গার্মেন্টসের ব্যবসা করেন। কয়েক মাস ধরে মামুনের কাছে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহমুদের ছোট ভাই শুভল ও ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক আরজু। মামুন এলাকায় এলে তাঁরা এই টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এর সূত্র ধরে দাবি করা টাকার জন্য সন্ধ্যায় সাগরের দোকানে মামুনকে আটক করে মারধরের পর অপরহণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মামুনকে উদ্ধার করা হয়।
নোয়ান্নই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মহি উদ্দিন বলেন, মামুনকে অপহরণের পর তিনিসহ লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে আনার কারণে আরজু, শুভলরা সন্ত্রাসীদের নিয়ে তাঁর বসতঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। বিএনপির লোক হয়েও দলের অন্যদের হাতে নির্যাতনের শিকার এই নেতা ঊর্ধ্বতন নেতাদের কাছে এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহমুদুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘আজ দুপুরে আমি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো দেখে এসেছি। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে। উভয় পক্ষ আমাদের দলের লোক। সবাইকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে।’
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ‘এটি দলীয় কোনো বিষয় নয়। তাদের নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আমার ভাই শুভল মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, মারামারি করতে নয়। এ ছাড়া যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের একটি পক্ষ হামলা চালিয়ে কৃষক দলের আহ্বায়ক আরজুর হাত ভেঙে দিয়েছে। তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি।’
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, ‘এ বিষয়ে কেউ আমাদের জানায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে