
নোয়াখালী পৌর এলাকায় স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪) হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আব্দুর রহিম রনির (৩৩) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
আজ বুধবার নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম রনি নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে। তিনি ওই স্কুলছাত্রীর গৃহশিক্ষক ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম শাহী বলেন, অদিতা হত্যা মামলায় আদালত আসামি সাবেক গৃহশিক্ষককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে বাদীপক্ষের ৪১ জন এবং আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার জাহান মঞ্জিল থেকে স্কুলছাত্রী অদিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলা, হাত ও পায়ের রগ কাটা ছিল। এই ঘটনায় জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিন রাতে অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে রনির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে।
ঘটনার কিছুদিন আগ থেকে অদিতা রনির কাছে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে অন্যত্র গেলে ক্ষুব্ধ হন তিনি। ঘটনার দিন অদিতার মা বাসায় না থাকার সুযোগে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন রনি। এতে ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি গোপন করতে তাঁকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেন এবং ঘটনাটিকে ভিন্ন রূপ দিতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে পালিয়ে যান। গ্রেপ্তারের পর রনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ এবং তাঁর পোশাকে রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের পাকুন্দিয়া পৌর সদরের শ্রীরামদী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২৪ মিনিট আগে
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে মৌলভীবাজারের নদীর পানি স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় হাজারো পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চারটি নদীতে
২৭ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ইমাদ পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খালে পড়ে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় বাসচালকের সহকারী (হেলপার) এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
বুধবার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় দিনমজুরেরা কাজে বের হতে পারছেন না। শ্রমিক রহিম উদ্দিন বলেন, ‘ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ নেই, আজ আবার বৃষ্টি। কাজে যেতে না পারলে পরিবার নিয়ে কষ্টে থাকতে হয়।’
২ ঘণ্টা আগে