কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকাপ্রবাসী সাইফুল ইসলামের (৩৮) বিরুদ্ধে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় একই ঘটনায় পৃথক দুটি অভিযোগ দেওয়া হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক কার্তিক মজুমদার ও চরহাজারী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে এই অভিযোগগুলো করেন।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম একসময় চরপার্বতী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কদমতলা এলাকার দুবাইওয়ালা রফিকের ছেলে।
পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলমান ভারত সফর নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ৭টা চুক্তি হয় তাতে আমার দেশের কল্যাণে একটাও আসবে না। এমনি কি তারা চুক্তির বিষয়েও ঢাক-ঢোল পিটিয়ে কিছু বলে নাই। শুধুমাত্র স্বামীর গুণগান ছাড়া স্ত্রী সাংবাদিকদেরকে আর কিছুই বলে নাই। তবে ওই চুক্তিটা না হলেও স্বামীর সংসার দীর্ঘায়িত করতে প্রচুর অনুরোধ করেছেন। এখন স্বামী চিন্তা করে দেখবেন দাম্পত্য জীবন তাদের কেমন উপভোগ্য ছিল।’
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক কার্তিক মজুমদার বলেন, ‘ফেসবুকে অবমাননাকর পোস্ট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো দেশকে অপমান করেছেন সাইফুল ইসলাম। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আমি অভিযোগ দায়ের করেছি।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত এস এম মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় দুটি অভিযোগ পেয়েছি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, লেখাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে বুধবার দুপুরে ফেসবুক ওয়াল থেকে লেখাটি সরিয়ে দেন সাইফুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকাপ্রবাসী সাইফুল ইসলামের (৩৮) বিরুদ্ধে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় একই ঘটনায় পৃথক দুটি অভিযোগ দেওয়া হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক কার্তিক মজুমদার ও চরহাজারী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে এই অভিযোগগুলো করেন।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম একসময় চরপার্বতী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কদমতলা এলাকার দুবাইওয়ালা রফিকের ছেলে।
পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলমান ভারত সফর নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ৭টা চুক্তি হয় তাতে আমার দেশের কল্যাণে একটাও আসবে না। এমনি কি তারা চুক্তির বিষয়েও ঢাক-ঢোল পিটিয়ে কিছু বলে নাই। শুধুমাত্র স্বামীর গুণগান ছাড়া স্ত্রী সাংবাদিকদেরকে আর কিছুই বলে নাই। তবে ওই চুক্তিটা না হলেও স্বামীর সংসার দীর্ঘায়িত করতে প্রচুর অনুরোধ করেছেন। এখন স্বামী চিন্তা করে দেখবেন দাম্পত্য জীবন তাদের কেমন উপভোগ্য ছিল।’
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক কার্তিক মজুমদার বলেন, ‘ফেসবুকে অবমাননাকর পোস্ট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো দেশকে অপমান করেছেন সাইফুল ইসলাম। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আমি অভিযোগ দায়ের করেছি।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত এস এম মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় দুটি অভিযোগ পেয়েছি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, লেখাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে বুধবার দুপুরে ফেসবুক ওয়াল থেকে লেখাটি সরিয়ে দেন সাইফুল ইসলাম।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে