জসিম উদ্দিন, নীলফামারী

তিস্তা সেচ প্রকল্প এলাকা থেকে প্রতিবছর এক লাখ টন ধান উৎপাদন বাড়াতে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ‘তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন বাস্তবায়নে চলছে প্রকল্প এলাকায় জরিপ ও নকশা প্রণয়নের কাজ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়–নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুরের তিস্তা সেচ এলাকাজুড়ে সেচের পানি নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি হাতে নেয় সরকার। এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। চলতি বছর জুনে শুরু হয়ে তিন বছরের মধ্যে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়, প্রকল্প এলাকার ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেচের পানি সরবরাহ করা হবে। এতে ফসলের নিবিড়তা ২৩১ শতাংশ থেকে ২৬৮ পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্দেশ্য রয়েছে।
সৈয়দপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল সরকার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চলতি জুলাইয়ে শুরু হয়েছে জরিপ ও নকশা প্রণয়নের কাজ। এতে ওই এলাকায় পরিবেশ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তরের উন্নতি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং জনগণের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
নীলফামারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রকল্পটির আওতায় ৭৬৬ কিলোমিটার সেচ খালের ‘ডাইক’ শক্তিশালী করা হবে। ৭২ কিলোমিটার সেচ পাইপ স্থাপন করা হবে। স্লোপ প্রোটেকশন দেওয়া হবে ১০ দশমিক ০৮ কিলোমিটার। বাইপাস সেচ খাল নির্মাণ করা হবে ৭ দশমিক ১৩ কিলোমিটার। ২৭টি কালভার্ট নির্মাণ, জলাধার পুনঃ: খনন ২৭০ হেক্টর এবং সাড়ে নয় কিলোমিটারের চ্যানেল পুনঃ: খনন করা হবে। এ ছাড়া ৫২ কিলোমিটার পরিদর্শন রাস্তা মেরামত, ২০টি রেগুলেটর নির্মাণ, ৮৭ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বর্ষা মৌসুমের কারণে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করতে আরও ২ / ৩ মাস সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুরের ৫ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন মৌসুমে বৃষ্টির অভাবে খরা মোকাবিলায় সেচের লক্ষ্যে গড়ে ওঠে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প। এর প্রথম পর্যায়ের নির্মাণকাজ ১৯৭৯ সালে এবং ক্যানেল সিস্টেমের নির্মাণকাজ ১৯৮৪-৮৫ সালে হাতে নেওয়া হয়। ১৯৯৮ সালে শেষ হয় প্রথম পর্যায়ের কাজ। তবে নির্মাণের পর থেকে প্রধান খাল, শাখা খাল, উপ-শাখা খালগুলো সংস্কার করা হয়নি।

তিস্তা সেচ প্রকল্প এলাকা থেকে প্রতিবছর এক লাখ টন ধান উৎপাদন বাড়াতে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ‘তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন বাস্তবায়নে চলছে প্রকল্প এলাকায় জরিপ ও নকশা প্রণয়নের কাজ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়–নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুরের তিস্তা সেচ এলাকাজুড়ে সেচের পানি নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি হাতে নেয় সরকার। এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। চলতি বছর জুনে শুরু হয়ে তিন বছরের মধ্যে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়, প্রকল্প এলাকার ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেচের পানি সরবরাহ করা হবে। এতে ফসলের নিবিড়তা ২৩১ শতাংশ থেকে ২৬৮ পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্দেশ্য রয়েছে।
সৈয়দপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল সরকার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চলতি জুলাইয়ে শুরু হয়েছে জরিপ ও নকশা প্রণয়নের কাজ। এতে ওই এলাকায় পরিবেশ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তরের উন্নতি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং জনগণের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
নীলফামারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রকল্পটির আওতায় ৭৬৬ কিলোমিটার সেচ খালের ‘ডাইক’ শক্তিশালী করা হবে। ৭২ কিলোমিটার সেচ পাইপ স্থাপন করা হবে। স্লোপ প্রোটেকশন দেওয়া হবে ১০ দশমিক ০৮ কিলোমিটার। বাইপাস সেচ খাল নির্মাণ করা হবে ৭ দশমিক ১৩ কিলোমিটার। ২৭টি কালভার্ট নির্মাণ, জলাধার পুনঃ: খনন ২৭০ হেক্টর এবং সাড়ে নয় কিলোমিটারের চ্যানেল পুনঃ: খনন করা হবে। এ ছাড়া ৫২ কিলোমিটার পরিদর্শন রাস্তা মেরামত, ২০টি রেগুলেটর নির্মাণ, ৮৭ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বর্ষা মৌসুমের কারণে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করতে আরও ২ / ৩ মাস সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুরের ৫ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন মৌসুমে বৃষ্টির অভাবে খরা মোকাবিলায় সেচের লক্ষ্যে গড়ে ওঠে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প। এর প্রথম পর্যায়ের নির্মাণকাজ ১৯৭৯ সালে এবং ক্যানেল সিস্টেমের নির্মাণকাজ ১৯৮৪-৮৫ সালে হাতে নেওয়া হয়। ১৯৯৮ সালে শেষ হয় প্রথম পর্যায়ের কাজ। তবে নির্মাণের পর থেকে প্রধান খাল, শাখা খাল, উপ-শাখা খালগুলো সংস্কার করা হয়নি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে