সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি প্রাথমিক ও একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে আলমারি ও ফাইল কেবিনেট ড্রয়ারে রাখা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কাগজপত্রসহ কোনো কিছু খোয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় প্রধানেরা।
আজ রোববার দুপুরে এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার একই চত্বরে অবস্থিত বোতলাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বোতলাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল মালেক ও বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইউনুস আলী জানান, আজ (রোববার) সকালে বিদ্যালয়ে গিয়ে অফিস কক্ষের তালা ভাঙা ও দরজা খোলা দেখতে পান তাঁরা। দুর্বৃত্তরা আলমারি ও ফাইল কেবিনেটের ড্রয়ারের তালা ভেঙে কাগজপত্র মেঝেসহ বিভিন্নখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে যায়। কাগজপত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া অফিস কক্ষের আসবাবপত্রও তছনছ করা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অফিসের কোনো জিনিসপত্র চুরি হয়নি।
বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রভাষক আব্দুল হাফিজ হাপ্পু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা কেন আর কী উদ্দেশ্যে কাগজপত্রগুলো তছনছ করেছে তা আমাদের জানা নেই। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে।’
এ ঘটনার বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া কী উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় দুটির কাগজপত্রগুলো এমন করা হয়েছে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি প্রাথমিক ও একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে আলমারি ও ফাইল কেবিনেট ড্রয়ারে রাখা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কাগজপত্রসহ কোনো কিছু খোয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় প্রধানেরা।
আজ রোববার দুপুরে এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার একই চত্বরে অবস্থিত বোতলাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বোতলাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল মালেক ও বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইউনুস আলী জানান, আজ (রোববার) সকালে বিদ্যালয়ে গিয়ে অফিস কক্ষের তালা ভাঙা ও দরজা খোলা দেখতে পান তাঁরা। দুর্বৃত্তরা আলমারি ও ফাইল কেবিনেটের ড্রয়ারের তালা ভেঙে কাগজপত্র মেঝেসহ বিভিন্নখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে যায়। কাগজপত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া অফিস কক্ষের আসবাবপত্রও তছনছ করা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অফিসের কোনো জিনিসপত্র চুরি হয়নি।
বোতলাগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রভাষক আব্দুল হাফিজ হাপ্পু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা কেন আর কী উদ্দেশ্যে কাগজপত্রগুলো তছনছ করেছে তা আমাদের জানা নেই। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে।’
এ ঘটনার বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া কী উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় দুটির কাগজপত্রগুলো এমন করা হয়েছে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে