দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

ফারুক মিয়া (৩০) শৈশবে হারান মাকে। কৈশোরে মারা যান তাঁর বাবা। স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় তাঁর বেড়ে ওঠা। জীবিকার তাগিদে দেন চায়ের দোকান। গতকাল মঙ্গলবার দোকানে কাজ করার সময় সরকারি একটি মরা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তাঁর মাথায় ওপর। এতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অর্থ সংকটের কারণে চিকিৎসা ব্যয় চালাতে পারছেন না তিনি।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের চক লেঙ্গুরা এলাকার মৃত আব্দুল গণির ছেলে ফারুক। আপনজন বলতে তাঁর কেউ নাই। গতকাল দুপুরে নিজ চায়ের দোকানের পাশেই ভূমি অফিসের মরা গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়ে আহত হন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও দুই হাত-দুই পা এখন অচল হওয়ার উপক্রম। তাঁর চিকিৎসার জন্য আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানান চিকিৎসকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুর্গাপুর পৌর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি মরা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে ফারুকের ওপর। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, বুলবুল ও রাকিব ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ফারুকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। সেখানকার চিকিৎসকেরা জানান অপারেশনসহ দ্রুত চিকিৎসা করাতে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার প্রয়োজন। ওই ক্লিনিক থেকে আবারও দুর্গাপুর ফিরিয়ে এনে ফারুককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
এদিকে, ফারুকের চিকিৎসার জন্য আজ বুধবার সকালে টাকা সংগ্রহে নেমেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। দুপুরের দিকে উপজেলা প্রশাসনের লোকজন ছুটে আসেন হাসপাতালে এবং তাঁকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ছেলেটির আপনজন কেউ নেই। গতকাল দুর্ঘটনার পর থেকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসার সব ধরনের চেষ্টা করছি। কিন্তু তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রায় তিন লাখ টাকা প্রয়োজন এই মুহূর্তে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল খান রুদ্র বলেন, আজ সকালে ফারুক ভাইয়ের খারাপ অবস্থার কথা শুনে আমরা এগিয়ে এসেছি। তাঁর চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন। আমরা টাকা সংগ্রহে কাজ করছি। কিন্তু সবার এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, মাথার ওপরে গাছের ডাল পড়ার কারণে ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত সবটুকু জায়গাই অচলের মতো অবস্থায় আছে। প্রাথমিকভাবে আমরা তাঁকে চিকিৎসা দিচ্ছি কিন্তু অপারেশন করা লাগবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজাওয়ানুল কবীর বলেন, আহত ফারুকের চিকিৎসার বিষয়ে সরকারিভাবে সহযোগিতার কার্যক্রম চলমান আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে সার্বক্ষণিক আমরা যোগাযোগ রাখছি। তিনি আরও বলেন, ভূমি অফিসের মরা গাছটি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফারুক মিয়া (৩০) শৈশবে হারান মাকে। কৈশোরে মারা যান তাঁর বাবা। স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় তাঁর বেড়ে ওঠা। জীবিকার তাগিদে দেন চায়ের দোকান। গতকাল মঙ্গলবার দোকানে কাজ করার সময় সরকারি একটি মরা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তাঁর মাথায় ওপর। এতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অর্থ সংকটের কারণে চিকিৎসা ব্যয় চালাতে পারছেন না তিনি।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের চক লেঙ্গুরা এলাকার মৃত আব্দুল গণির ছেলে ফারুক। আপনজন বলতে তাঁর কেউ নাই। গতকাল দুপুরে নিজ চায়ের দোকানের পাশেই ভূমি অফিসের মরা গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়ে আহত হন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও দুই হাত-দুই পা এখন অচল হওয়ার উপক্রম। তাঁর চিকিৎসার জন্য আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানান চিকিৎসকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুর্গাপুর পৌর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি মরা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে ফারুকের ওপর। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, বুলবুল ও রাকিব ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ফারুকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। সেখানকার চিকিৎসকেরা জানান অপারেশনসহ দ্রুত চিকিৎসা করাতে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার প্রয়োজন। ওই ক্লিনিক থেকে আবারও দুর্গাপুর ফিরিয়ে এনে ফারুককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
এদিকে, ফারুকের চিকিৎসার জন্য আজ বুধবার সকালে টাকা সংগ্রহে নেমেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। দুপুরের দিকে উপজেলা প্রশাসনের লোকজন ছুটে আসেন হাসপাতালে এবং তাঁকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ছেলেটির আপনজন কেউ নেই। গতকাল দুর্ঘটনার পর থেকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসার সব ধরনের চেষ্টা করছি। কিন্তু তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রায় তিন লাখ টাকা প্রয়োজন এই মুহূর্তে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল খান রুদ্র বলেন, আজ সকালে ফারুক ভাইয়ের খারাপ অবস্থার কথা শুনে আমরা এগিয়ে এসেছি। তাঁর চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন। আমরা টাকা সংগ্রহে কাজ করছি। কিন্তু সবার এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, মাথার ওপরে গাছের ডাল পড়ার কারণে ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত সবটুকু জায়গাই অচলের মতো অবস্থায় আছে। প্রাথমিকভাবে আমরা তাঁকে চিকিৎসা দিচ্ছি কিন্তু অপারেশন করা লাগবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজাওয়ানুল কবীর বলেন, আহত ফারুকের চিকিৎসার বিষয়ে সরকারিভাবে সহযোগিতার কার্যক্রম চলমান আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে সার্বক্ষণিক আমরা যোগাযোগ রাখছি। তিনি আরও বলেন, ভূমি অফিসের মরা গাছটি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে