রাজেশ গৌড়, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা)

নেত্রকোনার দুর্গাপুর, এক টুকরো সৌন্দর্যের লীলাভূমি। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা এই উপজেলা তার নৈসর্গিক শোভায় প্রতিনিয়তই ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করে। তবে ঈদের ছুটিতে এর সৌন্দর্য যেন আরও বহুগুণে বেড়ে যায়। এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ৯ দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে সাদা মাটির পাহাড় আর নীল পানির লেক ঘিরে পর্যটকদের ছিল উপচে পড়া ভিড়।
দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে এসেছে বিজয়পুরের সাদা মাটির পাহাড়ে। কেউ এসেছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে, কেউ দম্পতি, আবার কেউ বন্ধুরা মিলে। কেউ পাহাড়ের গায়ে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন, কেউবা নীল জলে পা ডুবিয়ে শীতলতা উপভোগ করছেন।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দীপ্ত সাহা বললেন, ‘সাদা মাটির পাহাড় আর নীল পানির অপার সৌন্দর্যে আমি মুগ্ধ। আগে শুধু শুনেছি, আজ নিজ চোখে দেখলাম। যাঁরা এখনো আসেননি, তাঁরা এই অনন্য অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।’
গাজীপুর থেকে ঘুরতে আসা মো. আজাদ শিকদারের অভিব্যক্তিও একই রকম। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমবার দুর্গাপুরে এলাম। ঈদের আনন্দ আত্মীয়-পরিজন নিয়ে এমন সুন্দর জায়গায় এসে ভাগ করে নিতে পেরে দারুণ লাগছে। এই সৌন্দর্য আসলেই ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’

মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা দীপা বলেন, ‘অনেকবার ভিডিওতে দেখেছি, কিন্তু বাস্তবে এসে দেখার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম। তবে ঈদের ছুটিতে প্রচুর ভিড়, তাই সবকিছু উপভোগ করতে পারলাম না। আবার আসতে চাই।’
সাদা মাটির পাহাড় প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। কোথাও সাদা, কোথাও গোলাপি, আবার কোথাও বাদামি রঙের মিশ্রণে তৈরি এই পাহাড় যেন এক বিশাল ক্যানভাস। সামনে বিস্তৃত নীল পানির লেকের শোভা যেন স্বর্গীয় সৌন্দর্যের ছোঁয়া এনে দেয়। সূর্যের আলো পড়লে এর বর্ণ আরও মোহনীয় হয়ে ওঠে।
পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য প্রশাসনও ছিল তৎপর। দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে প্রচুর মানুষ ঘুরতে আসছেন। আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি, যাতে সবাই নিরাপদে প্রকৃতির এই অনন্য দৃষ্টিনন্দন স্থান উপভোগ করতে পারেন।’

সাদা মাটির পাহাড় শুধু ঈদের ছুটিতেই নয়, বছরজুড়েই ভ্রমণপিপাসুদের মন কেড়ে নেয়। তবে ঈদের আনন্দে ভ্রমণের মাত্রা যেন দ্বিগুণ হয়ে যায়। প্রকৃতির কোলে এমন এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা যেকোনো ভ্রমণপ্রেমীকে বারবার এখানে টেনে আনবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।

নেত্রকোনার দুর্গাপুর, এক টুকরো সৌন্দর্যের লীলাভূমি। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা এই উপজেলা তার নৈসর্গিক শোভায় প্রতিনিয়তই ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করে। তবে ঈদের ছুটিতে এর সৌন্দর্য যেন আরও বহুগুণে বেড়ে যায়। এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ৯ দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে সাদা মাটির পাহাড় আর নীল পানির লেক ঘিরে পর্যটকদের ছিল উপচে পড়া ভিড়।
দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে এসেছে বিজয়পুরের সাদা মাটির পাহাড়ে। কেউ এসেছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে, কেউ দম্পতি, আবার কেউ বন্ধুরা মিলে। কেউ পাহাড়ের গায়ে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন, কেউবা নীল জলে পা ডুবিয়ে শীতলতা উপভোগ করছেন।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দীপ্ত সাহা বললেন, ‘সাদা মাটির পাহাড় আর নীল পানির অপার সৌন্দর্যে আমি মুগ্ধ। আগে শুধু শুনেছি, আজ নিজ চোখে দেখলাম। যাঁরা এখনো আসেননি, তাঁরা এই অনন্য অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।’
গাজীপুর থেকে ঘুরতে আসা মো. আজাদ শিকদারের অভিব্যক্তিও একই রকম। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমবার দুর্গাপুরে এলাম। ঈদের আনন্দ আত্মীয়-পরিজন নিয়ে এমন সুন্দর জায়গায় এসে ভাগ করে নিতে পেরে দারুণ লাগছে। এই সৌন্দর্য আসলেই ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’

মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা দীপা বলেন, ‘অনেকবার ভিডিওতে দেখেছি, কিন্তু বাস্তবে এসে দেখার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম। তবে ঈদের ছুটিতে প্রচুর ভিড়, তাই সবকিছু উপভোগ করতে পারলাম না। আবার আসতে চাই।’
সাদা মাটির পাহাড় প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। কোথাও সাদা, কোথাও গোলাপি, আবার কোথাও বাদামি রঙের মিশ্রণে তৈরি এই পাহাড় যেন এক বিশাল ক্যানভাস। সামনে বিস্তৃত নীল পানির লেকের শোভা যেন স্বর্গীয় সৌন্দর্যের ছোঁয়া এনে দেয়। সূর্যের আলো পড়লে এর বর্ণ আরও মোহনীয় হয়ে ওঠে।
পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য প্রশাসনও ছিল তৎপর। দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে প্রচুর মানুষ ঘুরতে আসছেন। আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি, যাতে সবাই নিরাপদে প্রকৃতির এই অনন্য দৃষ্টিনন্দন স্থান উপভোগ করতে পারেন।’

সাদা মাটির পাহাড় শুধু ঈদের ছুটিতেই নয়, বছরজুড়েই ভ্রমণপিপাসুদের মন কেড়ে নেয়। তবে ঈদের আনন্দে ভ্রমণের মাত্রা যেন দ্বিগুণ হয়ে যায়। প্রকৃতির কোলে এমন এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা যেকোনো ভ্রমণপ্রেমীকে বারবার এখানে টেনে আনবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে