
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজজেলায় রাতের আঁধারে কৃষিজমিতে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ করতে অভিযান চালাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ। দিনের বেলায় কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও রাত হলেই বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে পুকুর খননচক্র। এ অবস্থায় রাতের প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে মাঠে নামতে হচ্ছে প্রশাসনকে।
সবশেষ গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের হাঁড়িভাঙ্গা বিলে অভিযান চালান ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ। অভিযানের সময় পুকুর খননে ব্যবহৃত দুটি ভেকু (এক্সকাভেটর) ফেলে পালিয়ে যান সংশ্লিষ্টরা। পরে ভেকু দুটির চারটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়। এ নিয়ে গত তিন সপ্তাহে পাঁচটি অভিযানে মোট ১০টি ব্যাটারি জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ফাহমিদা আফরোজ জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযান শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা চলে। রাতের নির্জনতা ও প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও দায়িত্ববোধ থেকেই অভিযানে অংশ নেন তিনি।
তিনি বলেন, “একজন পুরুষ কর্মকর্তার মতো আমিও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছি। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ থেকেই রাতের অন্ধকারে মাঠে নেমে অভিযান পরিচালনা করছি।”
অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া, পিআইও আমিনুর রশীদ, পুলিশ সদস্য ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউএনও আরও বলেন, “ফসলি জমি ও সরকারি রাস্তা রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে অভিযানের সময় জড়িতদের পাওয়া না যাওয়ায় মামলা করা সম্ভব হচ্ছে না।”

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে এক শিশুকে নির্যাতনচেষ্টার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত দুই শিশুকে আদালতের নির্দেশে গাজীপুর শিশু-কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
কুড়িগ্রাম সদর ভূমিসেবা মেলায় সরকারি কর্মচারীর পরিবর্তে ‘দালাল’ হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তিকে ভূমিসেবা দিতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় ভূমি অফিসে দালাল চক্র ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।
১০ মিনিট আগে
হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যানজটমুক্ত রাস্তা নিশ্চিত করতে হাটের সীমানার বাইরে কোনো পশু রাখা যাবে না। জাল টাকা শনাক্তকরণের মেশিন ডিএমপির পক্ষ থেকে পশুর হাটে থাকবে। ঈদের এই সময়ে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
১৫ মিনিট আগে
এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাহারাম বাদশাকে মোটাতাজা করেছেন খামারি মনিরুল। বাহারাম বাদশার প্রিয় খাবার হলো কলা ও আপেল। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন তাকে কলা ও আপেল খাওয়ান খামারি মনিরুল ইসলাম। ষাঁড়টির সম্পূর্ণ ওজন ৪০ মণ বলে দাবি করা হচ্ছে।
২৬ মিনিট আগে