বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রামে খেলতে গিয়ে ডোবায় পড়ে মামাতো-ফুপাতো ভাইবোন দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে উপজেলার চৌমুহন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
মৃত দুজন হলো আনাফ হোসেন (৩) ও হুমায়রা জাহান (৩)। আনাফ উপজেলার চৌমুহন গ্রামের সোহেল রানার ছেলে এবং হুমায়রা পাবনার ফরিদপুর উপজেলার থানাপাড়া এলাকার একরামুল আলম নয়নের মেয়ে।
এদিকে নাতি ও নাতনিকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন শিল্পী বেগম। তাদের কথা বলতেই অচেতন হয়ে পড়ছেন তিনি। চেতনা ফিরে এলেই বিলাপ করছেন।
মৃত দুজনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ দিন আগে শিল্পী বেগমের মেয়ে হুমায়রাকে নিয়ে বাবার (মিজানুর) বাড়ি বেড়াতে আসেন। আজ রোববার সকালে আনাফ ও হুমায়ারা বাড়ির পাশে খেলছিল। হঠাৎ দুজনকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে রাস্তায় পায়ের সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখে খোঁজ করতে গিয়ে তাদের ডোবার পানিতে পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিলাপ করতে করতে শিল্পী বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে ও ছেলের সন্তান কিছুদিনের ব্যবধানে জন্মগ্রহণ করে। সারা দিন তারা আমার সঙ্গে থাকত। খেলা করত। আমি যেদিকে যাব, ওরা সেদিকে যাবে। দুজনকে একসঙ্গে কোলে রাখি। এখন আমি কী নিয়ে থাকব। আমি তাদের ছাড়া কীভাবে বাঁচব!’
মিজানুর রহমান বলেন, ‘মামাতো ভাই আনাফের সঙ্গে খুব সখ্য ছিল হুমায়রার। দুজন সারা দিন বাড়ি মাতিয়ে রাখত। এখন আমাকে দাদা-নানা বলে কে ডাকবে!’
খবর পেয়ে ঢাকা থেকে রওনা করেন সোহেল রানা ও একরামুল আলম। একরামুল আলম বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধু সেতুতে আছি। ১৫ দিন আগে মেয়েটি নানাবাড়ি যাওয়ার জন্য বায়না ধরে। আমি স্ত্রীকে নানাবাড়ি থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসার জন্য বলি। সেখানে মামাতো ভাইকে পেয়ে খুব আনন্দে কাটছিল দিন। কিন্তু এভাবে সব শেষ হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি।’
প্রতিবেশী সিরাজ বলেন, শিশু দুটি সব সময় একসঙ্গে থাকত। কিন্তু কীভাবে কী হয়ে গেল!
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (এসআই) আবু সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। কারও অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নাটোরের বড়াইগ্রামে খেলতে গিয়ে ডোবায় পড়ে মামাতো-ফুপাতো ভাইবোন দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে উপজেলার চৌমুহন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
মৃত দুজন হলো আনাফ হোসেন (৩) ও হুমায়রা জাহান (৩)। আনাফ উপজেলার চৌমুহন গ্রামের সোহেল রানার ছেলে এবং হুমায়রা পাবনার ফরিদপুর উপজেলার থানাপাড়া এলাকার একরামুল আলম নয়নের মেয়ে।
এদিকে নাতি ও নাতনিকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন শিল্পী বেগম। তাদের কথা বলতেই অচেতন হয়ে পড়ছেন তিনি। চেতনা ফিরে এলেই বিলাপ করছেন।
মৃত দুজনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ দিন আগে শিল্পী বেগমের মেয়ে হুমায়রাকে নিয়ে বাবার (মিজানুর) বাড়ি বেড়াতে আসেন। আজ রোববার সকালে আনাফ ও হুমায়ারা বাড়ির পাশে খেলছিল। হঠাৎ দুজনকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে রাস্তায় পায়ের সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখে খোঁজ করতে গিয়ে তাদের ডোবার পানিতে পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিলাপ করতে করতে শিল্পী বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে ও ছেলের সন্তান কিছুদিনের ব্যবধানে জন্মগ্রহণ করে। সারা দিন তারা আমার সঙ্গে থাকত। খেলা করত। আমি যেদিকে যাব, ওরা সেদিকে যাবে। দুজনকে একসঙ্গে কোলে রাখি। এখন আমি কী নিয়ে থাকব। আমি তাদের ছাড়া কীভাবে বাঁচব!’
মিজানুর রহমান বলেন, ‘মামাতো ভাই আনাফের সঙ্গে খুব সখ্য ছিল হুমায়রার। দুজন সারা দিন বাড়ি মাতিয়ে রাখত। এখন আমাকে দাদা-নানা বলে কে ডাকবে!’
খবর পেয়ে ঢাকা থেকে রওনা করেন সোহেল রানা ও একরামুল আলম। একরামুল আলম বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধু সেতুতে আছি। ১৫ দিন আগে মেয়েটি নানাবাড়ি যাওয়ার জন্য বায়না ধরে। আমি স্ত্রীকে নানাবাড়ি থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসার জন্য বলি। সেখানে মামাতো ভাইকে পেয়ে খুব আনন্দে কাটছিল দিন। কিন্তু এভাবে সব শেষ হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি।’
প্রতিবেশী সিরাজ বলেন, শিশু দুটি সব সময় একসঙ্গে থাকত। কিন্তু কীভাবে কী হয়ে গেল!
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (এসআই) আবু সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। কারও অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে