বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

‘বর্তমান অবস্থায় নির্বাচন করলে দুই থেকে তিন হাজারের বেশি ভোট পাওয়া যাবে না। যা হবে লজ্জার’ এমন মন্তব্য করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ও নাটোর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি।
মো আলাউদ্দিন মৃধা বলেন, ‘ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নাই, সুষ্ঠুভাবে প্রচারণা চালানো যাচ্ছে না। আবার দলের মধ্যেও বিভেদ রয়েছে। দল থেকে যেভাবে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও নাই। এদিকে আমার মনোনয়ন বৈধ। তাই ভোটতো পড়বে। এ অবস্থায় নির্বাচন করলে দুই থেকে তিন হাজারের বেশি ভোট পাওয়া যাবে না, যা হবে লজ্জার। তাই, সময় থাকতেই প্রত্যাহার করে নিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি নির্বাচনী এলাকার সব সদস্যর মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছালাম। যদি কখনো ভোটের পরিবেশ হয়, তখন নির্বাচন করব।’
এ বিষয়ে বনপাড়া পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আমাদের প্রার্থী।’
জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা দেওয়ার বিষয়ে কিছু জানা নাই। আবার বাধা দেওয়া হয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ আসে নাই।’ ইতিমধ্যে আসা অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

‘বর্তমান অবস্থায় নির্বাচন করলে দুই থেকে তিন হাজারের বেশি ভোট পাওয়া যাবে না। যা হবে লজ্জার’ এমন মন্তব্য করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ও নাটোর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি।
মো আলাউদ্দিন মৃধা বলেন, ‘ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নাই, সুষ্ঠুভাবে প্রচারণা চালানো যাচ্ছে না। আবার দলের মধ্যেও বিভেদ রয়েছে। দল থেকে যেভাবে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও নাই। এদিকে আমার মনোনয়ন বৈধ। তাই ভোটতো পড়বে। এ অবস্থায় নির্বাচন করলে দুই থেকে তিন হাজারের বেশি ভোট পাওয়া যাবে না, যা হবে লজ্জার। তাই, সময় থাকতেই প্রত্যাহার করে নিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি নির্বাচনী এলাকার সব সদস্যর মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছালাম। যদি কখনো ভোটের পরিবেশ হয়, তখন নির্বাচন করব।’
এ বিষয়ে বনপাড়া পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আমাদের প্রার্থী।’
জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা দেওয়ার বিষয়ে কিছু জানা নাই। আবার বাধা দেওয়া হয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ আসে নাই।’ ইতিমধ্যে আসা অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে