নাটোর প্রতিনিধি

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে নৌকার প্রার্থী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য। আবার তাঁর বিজয় নিশ্চিত করতে গোপন কক্ষের ভেতর ব্যালটে সিল মারার পর নৌকার এজেন্টের সামনে তা ভাঁজ করার নির্দেশ দেওয়ার একটি অডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই অডিওর কণ্ঠ সুকাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুর রহমানের। তিনি প্রতিমন্ত্রী পলকের নির্বাচনী এজেন্ট।
আজ শনিবার ভাইরাল হওয়া একটি অডিও রেকর্ড থেকে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে সুকাশ ইউনিয়নের সুকাশ বাজারে নৌকার পক্ষে উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন মাহাবুর রহমান।
অডিওতে ভোটারদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘সিল মারবেন কাপড়ের মধ্যে, ব্যালট ভাঁজ করবেন এজেন্টের সামনে, এজেন্ট যেন বুঝতে পারে, আপনি কাকে ভোট দিলেন। এই কাজটা করলে আমাদের বিজয় নিশ্চিত। ব্যালটে কাকে সিল মারবেন, এটা যেন এজেন্ট বুঝতে পারেন। এটা দেখার জন্য কিন্তু মিন্টু (যুবলীগ কর্মী) থাকবে এক রুমে আর আমি থাকব আরেক রুমে। আর মহিলা রুমে আমার বউ ও ভাগনি থাকবে। কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন, ব্যালটটা বাক্সের কাছে যখন ভাঁজাবে, তখন তোমরা দেখে নেবে। এটা কিন্তু করতে হবে নৌকাকে বিজয় লাভ করাতে হলে এবং সফলতা আনতে হলে। নয়তো আমরা পরিশ্রমই করলাম, কিন্তু কাজের বেলায় গিয়ে হবে ঠনঠনাঠন।’
মাহাবুর আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি রুমের মধ্যে ব্যালট ভাঁজাবে, আমরা বুঝে নিব সে আমাদের ভোট দিচ্ছে না। আমরা বুঝে নিব সে নৌকায় ভোট দিবে না। নৌকাকে যদি বিজয়ী লাভ করাতে চান, তাহলে ভোটারের কাছে আমার এই মেসেজ পৌঁছে দিবেন। যাঁরা নৌকায় ভোট দিতে দ্বিধাবোধ করবেন, তাঁরা সেন্টারে আইসেন না।’
তিনি বলেন, ‘এই এলাকায় তো আমরা বসবাস করব। আগামী রোববার যেন কোনো চিল (ঈগল) পাখির এজেন্ট সেন্টারে না আসে। আরও বলে দিবেন, ৭ তারিখের পর কিন্তু ৮ তারিখ সকাল হবে।’
পথসভায় দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা জানতে মাহাবুরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি নির্বাচনী কাজের দোহাই দিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।
নৌকার প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মাওলানা রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈগলের কোনো এজেন্টকে ভোটকেন্দ্রে আসতে নিষেধ করা হয়নি। এখানে পলক তিন মেয়াদের এমপি, দুই মেয়াদের প্রতিমন্ত্রী। অবস্থা এত খারাপ হয় নাই যে আমাদের এভাবে হুমকি দিতে হবে। অনেক কিছুই এডিট করে ছড়ানো হচ্ছে। এটা বিএনপির এজেন্টদের কাজ। কারণ, তারাই চায় ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে না আসুক।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ‘মাহাবুর উঠান বৈঠকে প্রকাশ্যে ভোটারদের এজেন্টের সামনে ব্যালট ভাঁজ করার কথা বলে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আমার এজেন্টদের কেন্দ্রে না যেতে বলেছেন। এর জন্য তাঁর শাস্তি হওয়া দরকার। নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ হওয়া নিয়ে সন্দেহে রয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে নাটোরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নি কর্মকর্তা আবু নাছের ভূঁঞার মোবাইলে ফোন করলে রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নাটোর-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী, বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাহাবুবের বক্তব্য আমার বা আওয়ামী লীগের না। আবেগ থেকে মাহাবুব এই বক্তব্য দিয়েছে। সবাইকে এই ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, নাটোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) সিংড়া উপজেলা পরিষদের দুবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম শফিক।

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে নৌকার প্রার্থী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য। আবার তাঁর বিজয় নিশ্চিত করতে গোপন কক্ষের ভেতর ব্যালটে সিল মারার পর নৌকার এজেন্টের সামনে তা ভাঁজ করার নির্দেশ দেওয়ার একটি অডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই অডিওর কণ্ঠ সুকাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুর রহমানের। তিনি প্রতিমন্ত্রী পলকের নির্বাচনী এজেন্ট।
আজ শনিবার ভাইরাল হওয়া একটি অডিও রেকর্ড থেকে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে সুকাশ ইউনিয়নের সুকাশ বাজারে নৌকার পক্ষে উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন মাহাবুর রহমান।
অডিওতে ভোটারদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘সিল মারবেন কাপড়ের মধ্যে, ব্যালট ভাঁজ করবেন এজেন্টের সামনে, এজেন্ট যেন বুঝতে পারে, আপনি কাকে ভোট দিলেন। এই কাজটা করলে আমাদের বিজয় নিশ্চিত। ব্যালটে কাকে সিল মারবেন, এটা যেন এজেন্ট বুঝতে পারেন। এটা দেখার জন্য কিন্তু মিন্টু (যুবলীগ কর্মী) থাকবে এক রুমে আর আমি থাকব আরেক রুমে। আর মহিলা রুমে আমার বউ ও ভাগনি থাকবে। কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন, ব্যালটটা বাক্সের কাছে যখন ভাঁজাবে, তখন তোমরা দেখে নেবে। এটা কিন্তু করতে হবে নৌকাকে বিজয় লাভ করাতে হলে এবং সফলতা আনতে হলে। নয়তো আমরা পরিশ্রমই করলাম, কিন্তু কাজের বেলায় গিয়ে হবে ঠনঠনাঠন।’
মাহাবুর আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি রুমের মধ্যে ব্যালট ভাঁজাবে, আমরা বুঝে নিব সে আমাদের ভোট দিচ্ছে না। আমরা বুঝে নিব সে নৌকায় ভোট দিবে না। নৌকাকে যদি বিজয়ী লাভ করাতে চান, তাহলে ভোটারের কাছে আমার এই মেসেজ পৌঁছে দিবেন। যাঁরা নৌকায় ভোট দিতে দ্বিধাবোধ করবেন, তাঁরা সেন্টারে আইসেন না।’
তিনি বলেন, ‘এই এলাকায় তো আমরা বসবাস করব। আগামী রোববার যেন কোনো চিল (ঈগল) পাখির এজেন্ট সেন্টারে না আসে। আরও বলে দিবেন, ৭ তারিখের পর কিন্তু ৮ তারিখ সকাল হবে।’
পথসভায় দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা জানতে মাহাবুরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি নির্বাচনী কাজের দোহাই দিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।
নৌকার প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মাওলানা রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈগলের কোনো এজেন্টকে ভোটকেন্দ্রে আসতে নিষেধ করা হয়নি। এখানে পলক তিন মেয়াদের এমপি, দুই মেয়াদের প্রতিমন্ত্রী। অবস্থা এত খারাপ হয় নাই যে আমাদের এভাবে হুমকি দিতে হবে। অনেক কিছুই এডিট করে ছড়ানো হচ্ছে। এটা বিএনপির এজেন্টদের কাজ। কারণ, তারাই চায় ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে না আসুক।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ‘মাহাবুর উঠান বৈঠকে প্রকাশ্যে ভোটারদের এজেন্টের সামনে ব্যালট ভাঁজ করার কথা বলে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আমার এজেন্টদের কেন্দ্রে না যেতে বলেছেন। এর জন্য তাঁর শাস্তি হওয়া দরকার। নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ হওয়া নিয়ে সন্দেহে রয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে নাটোরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নি কর্মকর্তা আবু নাছের ভূঁঞার মোবাইলে ফোন করলে রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নাটোর-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী, বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাহাবুবের বক্তব্য আমার বা আওয়ামী লীগের না। আবেগ থেকে মাহাবুব এই বক্তব্য দিয়েছে। সবাইকে এই ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, নাটোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) সিংড়া উপজেলা পরিষদের দুবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম শফিক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে