পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুরের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এ রায় দেন।
আসামিরা হলেন স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আ. রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্ন বেগম।
অপর আসামি রোজিনাকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। অন্য আসামিদের মধ্যে আ. রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা ও মুনসুর মোল্লা আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আবু আকনকে (৪২) পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এ ঘটনায় আ. জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে মামলা করেন।
পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, আজ পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান ছয়জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। তিন আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যায়।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৪ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৪ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৪ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৪ ঘণ্টা আগে