নরসিংদী প্রতিনিধি

১০ বছর পর সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক হত্যা মামলায় নরসিংদীতে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত–১ এর বিচারক শামীমা পারভীন এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিব (৫০), একই এলাকার ছেলাল ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), রাসেল মিয়া (২২), ছেলাম মিয়া (২৩) ও নরসিংদীর রায়পুরার মাহমুদাবাদ এলাকার জুয়েল মিয়া (২০)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম এ এন অলিউল্লাহ জানান, বেলাবর ভাটেরচর গ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক হারুন অর রশিদ উপজেলার বারৈচা বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী পরিবহন করতেন। ২০১৩ সালের ২৮ জুন রাতে পাঁচজন যাত্রীসহ অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর রাতে বাড়ি ফেরেননি। পরদিন (২৯ জুন) সকালে বেলাব এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে চুনাইখালী সেতুর পাশের ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় নিহতের ছেলে আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশি তদন্তে যাত্রী সেজে চালক হত্যা ও অটোরিকশা ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন হয়।
মামলায় আদালতে ১৩ জনের দেওয়া সাক্ষ্য–প্রমাণের ভিত্তিতে পাঁচজন আসামি দোষী প্রমাণিত হয়। আসামিরা চালক হারুনকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়। আদালত প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।
রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিদের মধ্যে হাবিবুর রহমান হাবিব (৫০), ছেলাল ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩) ও জুয়েল মিয়া (২০) উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুই আসামি এখনো পলাতক রয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী।

১০ বছর পর সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক হত্যা মামলায় নরসিংদীতে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত–১ এর বিচারক শামীমা পারভীন এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিব (৫০), একই এলাকার ছেলাল ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), রাসেল মিয়া (২২), ছেলাম মিয়া (২৩) ও নরসিংদীর রায়পুরার মাহমুদাবাদ এলাকার জুয়েল মিয়া (২০)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম এ এন অলিউল্লাহ জানান, বেলাবর ভাটেরচর গ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক হারুন অর রশিদ উপজেলার বারৈচা বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী পরিবহন করতেন। ২০১৩ সালের ২৮ জুন রাতে পাঁচজন যাত্রীসহ অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর রাতে বাড়ি ফেরেননি। পরদিন (২৯ জুন) সকালে বেলাব এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে চুনাইখালী সেতুর পাশের ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় নিহতের ছেলে আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশি তদন্তে যাত্রী সেজে চালক হত্যা ও অটোরিকশা ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন হয়।
মামলায় আদালতে ১৩ জনের দেওয়া সাক্ষ্য–প্রমাণের ভিত্তিতে পাঁচজন আসামি দোষী প্রমাণিত হয়। আসামিরা চালক হারুনকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়। আদালত প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।
রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিদের মধ্যে হাবিবুর রহমান হাবিব (৫০), ছেলাল ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩) ও জুয়েল মিয়া (২০) উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুই আসামি এখনো পলাতক রয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে