নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে রাত ২টা বাজে ফোন করলেও তিনি সেটার উত্তর দেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি সময়মতো আদায় করেন। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েন। সকালে নামাজ পড়ে কাজ শুরু করেন।’
আজ শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় বিকেএমইএর নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অন্য ধর্মের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। সবাইকে তিনি আগলে রেখেছেন। কোভিডের সময় প্রধানমন্ত্রী কীভাবে সহযোগিতা করেছেন আপনারা দেখেছেন। তিনি শুধু আমাদের নেতা নন। তিনি বিশ্বের নন্দিত নেতা। কখনো তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি, কখনো তিনি ভ্যাকসিন হিরো। তিনি এ দেশের জনগণকে ভালোবাসেন বলেই আমরা এই জায়গায় আসতে পেরেছি। আমরা কোনো ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করি না। কোনো পেশিশক্তিতে বিশ্বাস করি না। আমরা চাই জনগণের ভালোবাসা। আবারও নির্বাচন আসবে। সারা দেশেই একটাই আওয়াজ শেখ হাসিনার বিকল্প নাই। প্রধানমন্ত্রী অনেক দূরদর্শী নেত্রী। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে তিনি যা ওয়াদা করেছিলেন একে একে সব করতেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্বশীল কেউ ভুল করলে তাঁকে জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। দোষ প্রমাণিত হলে শাস্তি পেতেই হবে। সে জনপ্রতিনিধি হোক বা প্রশাসনের হোক ছাড় নেই। দায়িত্বটা আমাদের ভালোভাবে পালন করতে হবে। তাহলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সামনে ঘটবে না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘কারখানার শ্রমিকেরা আগে কিছু হলেই নিজেদের প্রতিষ্ঠানে আগুন দিত। এটা শ্রমিকদের নিজ পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতো। আমরা তাদের এখন বোঝাতে পেরেছি যে তাদের অভিযোগ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে বললে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আজ যখন ব্যবসায়ী নেতারা পুলিশের কাজের প্রশংসা করেন, তখন আমার ভালো লাগে। আমি মনে করি, ভালো কাজ করলে সবাই তার প্রশংসা করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশকে জনবান্ধব করে তোলার জন্য কাজ করে গেছেন এবং পুলিশকে সেই পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ব্রিটিশ আমল থেকে নারায়ণগঞ্জ ব্যবসার জন্য প্রসিদ্ধ। তারও আগে নারায়ণগঞ্জ বন্দরনগরী হিসেবে পরিচিত ছিল। নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রচুর পরিমাণ নিটওয়্যার রপ্তানি হয় দেশ-বিদেশে। আমি বিদেশে গিয়ে যখন কাপড় উল্টে দেখি মেড ইন বাংলাদেশ, তখন আমার মন ভরে যায়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দক্ষ হাতে দেশ পরিচালনা করছেন। আমরা দেশকে একটা বিরাট সম্ভাবনাময় জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছি। এটি তাঁর দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয়। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বদলে গেছে।’
তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন অনেকে হেসেছিল। আজ তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশকে কত উঁচুতে নিয়ে এসেছেন। একসময় সাবমেরিন কেব্ল ফ্রি দিতে চেয়েছিল। তখন ওরা বলে দেশের তথ্য নাকি পাচার হয়ে যাবে! এদের বোকা বলব না কী বলব? এদের হাতে ছিল বাংলাদেশ।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে রাত ২টা বাজে ফোন করলেও তিনি সেটার উত্তর দেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি সময়মতো আদায় করেন। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েন। সকালে নামাজ পড়ে কাজ শুরু করেন।’
আজ শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় বিকেএমইএর নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অন্য ধর্মের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। সবাইকে তিনি আগলে রেখেছেন। কোভিডের সময় প্রধানমন্ত্রী কীভাবে সহযোগিতা করেছেন আপনারা দেখেছেন। তিনি শুধু আমাদের নেতা নন। তিনি বিশ্বের নন্দিত নেতা। কখনো তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি, কখনো তিনি ভ্যাকসিন হিরো। তিনি এ দেশের জনগণকে ভালোবাসেন বলেই আমরা এই জায়গায় আসতে পেরেছি। আমরা কোনো ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করি না। কোনো পেশিশক্তিতে বিশ্বাস করি না। আমরা চাই জনগণের ভালোবাসা। আবারও নির্বাচন আসবে। সারা দেশেই একটাই আওয়াজ শেখ হাসিনার বিকল্প নাই। প্রধানমন্ত্রী অনেক দূরদর্শী নেত্রী। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে তিনি যা ওয়াদা করেছিলেন একে একে সব করতেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্বশীল কেউ ভুল করলে তাঁকে জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। দোষ প্রমাণিত হলে শাস্তি পেতেই হবে। সে জনপ্রতিনিধি হোক বা প্রশাসনের হোক ছাড় নেই। দায়িত্বটা আমাদের ভালোভাবে পালন করতে হবে। তাহলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সামনে ঘটবে না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘কারখানার শ্রমিকেরা আগে কিছু হলেই নিজেদের প্রতিষ্ঠানে আগুন দিত। এটা শ্রমিকদের নিজ পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতো। আমরা তাদের এখন বোঝাতে পেরেছি যে তাদের অভিযোগ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে বললে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আজ যখন ব্যবসায়ী নেতারা পুলিশের কাজের প্রশংসা করেন, তখন আমার ভালো লাগে। আমি মনে করি, ভালো কাজ করলে সবাই তার প্রশংসা করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশকে জনবান্ধব করে তোলার জন্য কাজ করে গেছেন এবং পুলিশকে সেই পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ব্রিটিশ আমল থেকে নারায়ণগঞ্জ ব্যবসার জন্য প্রসিদ্ধ। তারও আগে নারায়ণগঞ্জ বন্দরনগরী হিসেবে পরিচিত ছিল। নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রচুর পরিমাণ নিটওয়্যার রপ্তানি হয় দেশ-বিদেশে। আমি বিদেশে গিয়ে যখন কাপড় উল্টে দেখি মেড ইন বাংলাদেশ, তখন আমার মন ভরে যায়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দক্ষ হাতে দেশ পরিচালনা করছেন। আমরা দেশকে একটা বিরাট সম্ভাবনাময় জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছি। এটি তাঁর দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয়। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বদলে গেছে।’
তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন অনেকে হেসেছিল। আজ তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশকে কত উঁচুতে নিয়ে এসেছেন। একসময় সাবমেরিন কেব্ল ফ্রি দিতে চেয়েছিল। তখন ওরা বলে দেশের তথ্য নাকি পাচার হয়ে যাবে! এদের বোকা বলব না কী বলব? এদের হাতে ছিল বাংলাদেশ।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে