নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ জেলা গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
আজ রোববার রাত ৯ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের কলেজ রোড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ শহরে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতা কর্মীরা।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে তরিকুল সুজন বলেন, ‘রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আমি রাস্তায় পরিচিত একজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে আমি দৌড়ে একটি রেস্তোরাঁর নিচ তালায় আশ্রয় নেই। সেখানে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিল দুজন ব্যক্তি। তারা আমাকে দেখেই আমার হাত ধরে। এরপর বলে ‘কিরে হও** পোলা, বেশি বাইরা গেছোস? মুখ দিয়া কি কস হুঁশ থাকে না? কার নামে কি কস বুঝোস না?’ এগুলো বলেই আমাকে এলোপাতারা কিল ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আমি দৌড়ে রেস্তোরাঁর ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেই।
হামলাকারীরা তখন নিচে দাঁড়িয়ে আমাকে পুনরায় মারার হুমকি দিতে থাকে এবং রেস্তোরাঁর গেটে অবস্থান নেয়। পরে আশেপাশের মানুষ এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।’
কারা এই হামলাকারী এবং কেন এই হামলা চালানো হলো জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি ঠিক জানি না কারা এই হামলাকারী। তবে এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি আমার রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কারণেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় একজন এমপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার কারনে এই হামলা হতে পারে আবার নাও হতে পারে। কিন্তু হামলাকারীদের কথায় বুঝতে পেরেছি যারা আমাদের কথায় ক্ষুব্ধ হয় কিংবা রাজনৈতিক ভাবে প্রতিপক্ষ মনে করে। তারাই এই হামলা চালিয়েছে।’
এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিবেন কিনা জানতে চাইলে দলটির জেলা কমিটির নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাস বলেন, ‘আমরা মনে করি দেশের অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উদাহরণ আজকের এই হামলা। এই শহরকে যারা সন্ত্রাস, গুম, খুনের নগর বানিয়েছে তারাই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
এদিকে হামলার ঘটনায় গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার পর রাতেই নারায়ণগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে গণসংহতি আন্দোলন ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতা কর্মীরা। মিছিলটি শহরের প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাধু পৌলের গীর্জার সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এই বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আযম মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
আজ রোববার রাত ৯ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের কলেজ রোড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ শহরে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতা কর্মীরা।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে তরিকুল সুজন বলেন, ‘রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আমি রাস্তায় পরিচিত একজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে আমি দৌড়ে একটি রেস্তোরাঁর নিচ তালায় আশ্রয় নেই। সেখানে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিল দুজন ব্যক্তি। তারা আমাকে দেখেই আমার হাত ধরে। এরপর বলে ‘কিরে হও** পোলা, বেশি বাইরা গেছোস? মুখ দিয়া কি কস হুঁশ থাকে না? কার নামে কি কস বুঝোস না?’ এগুলো বলেই আমাকে এলোপাতারা কিল ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আমি দৌড়ে রেস্তোরাঁর ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেই।
হামলাকারীরা তখন নিচে দাঁড়িয়ে আমাকে পুনরায় মারার হুমকি দিতে থাকে এবং রেস্তোরাঁর গেটে অবস্থান নেয়। পরে আশেপাশের মানুষ এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।’
কারা এই হামলাকারী এবং কেন এই হামলা চালানো হলো জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি ঠিক জানি না কারা এই হামলাকারী। তবে এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি আমার রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কারণেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় একজন এমপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার কারনে এই হামলা হতে পারে আবার নাও হতে পারে। কিন্তু হামলাকারীদের কথায় বুঝতে পেরেছি যারা আমাদের কথায় ক্ষুব্ধ হয় কিংবা রাজনৈতিক ভাবে প্রতিপক্ষ মনে করে। তারাই এই হামলা চালিয়েছে।’
এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিবেন কিনা জানতে চাইলে দলটির জেলা কমিটির নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাস বলেন, ‘আমরা মনে করি দেশের অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতির উদাহরণ আজকের এই হামলা। এই শহরকে যারা সন্ত্রাস, গুম, খুনের নগর বানিয়েছে তারাই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
এদিকে হামলার ঘটনায় গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার পর রাতেই নারায়ণগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে গণসংহতি আন্দোলন ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতা কর্মীরা। মিছিলটি শহরের প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাধু পৌলের গীর্জার সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এই বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আযম মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে