নওগাঁর বদলগাছীতে অগ্নিকাণ্ডে রফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (২৭ মে) সকালে উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের হলুদবিহার জোড় পুকুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম পার্শ্ববর্তী কোলা ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি খাসজমিতে বসবাসরত কয়েকটি পরিবারের একটি ঘরে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরের ভেতরে আটকা পড়েন রফিকুল। জনবসতি থেকে দূরে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ তাকে উদ্ধার করতে পারেননি।
স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারের চেষ্টা করলেও তাকে জীবিত বের করা সম্ভব হয়নি।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, কয়েক মাস আগে পারিবারিক এক দুর্ঘটনার পর থেকেই রফিকুল ইসলামের মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটে। গত দুই মাস ধরে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করা পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে পরে ওই খাসজমিতে বসবাস শুরু করে।
রফিকুলের মৃত্যুর পর তার মা সুফিয়া বেগম (৫৬) শোকে ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বদলগাছী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আগুনটি রফিকুলের মাধ্যমেই শুরু হতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুন (১৯) ‘আত্মহত্যার’ সময় ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটেই ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি তখন আত্মীয়স্বজন নিয়ে ডাইনিংয়ে খাওয়া-দাওয়া করছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামও। এমপি নজরুল নামাজ পড়ার পরে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনে...
৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা এক নির্মাণশ্রমিককে চাপা দিয়েছে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদী হাসান (২৪) নামের ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রেহানা পারভীন হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত পলাতক আসামি তাঁর স্বামী আওলাদ হোসাইন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে স্ত্রী নিখোঁজ বলে প্রচার করে ফিরে যান অস্ট্রেলিয়ায়। স্ত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে মর্মে জাল মৃত্যু সনদ দেন সে দেশের সরকারি দপ্তরে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।
৭ ঘণ্টা আগে
গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক দূষণমুক্ত করতে তিন বছরের প্রকল্প টেনে বাড়ানো হয়েছে ১৬ বছর। ব্যয় বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা। তবু দূষণমুক্ত হয়নি রাজধানীর সবচেয়ে অভিজাত এলাকার এই জলাশয়। প্রকল্পটির অনিয়ম নিয়ে উত্থাপিত অডিট আপত্তিগুলোরও বড় অংশ অনিষ্পন্ন রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে