নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ফজলুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাইগাঁ গ্রামের শহীদুল ইসলাম (৫০), আব্দুস সালাম (৬০), আবুল কালাম আজাদ (৫৫), আশরাফ (৪৫) ও আতুরা গ্রামের ইব্রাহিম (৬০।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিল দুপুরে মহাদেবপুর উপজেলার রাইগাঁ গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফজলুর রহমানকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ তদন্ত শেষে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। পরবর্তী সময়ে সিআইডি পুনরায় তদন্ত করে ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২২ জন সাক্ষীর বক্তব্যের ভিত্তিতে আদালত পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
এ মামলার বাকি ১১ আসামিকে আদালত খালাস দেন। আর বিচার চলাকালীন তিন আসামির মৃত্যু হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈকত ইলিয়াস কবির বলেন, ‘দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, অপরাধীরা আইনের হাত থেকে কখনোই রেহাই পাবে না।’

গত বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েকজন ইজিবাইক চালকের দুর্ব্যবহারের একটি ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আজ বিকেলে ছাত্রপ্রতিনিধিরা মৈশালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চালকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন ইজিবাইকচালক ছাত্রদের ওপর হামলা চালান।
২ মিনিট আগে
আজ শনিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটসংলগ্ন কার্গো এলাকায় এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা রাশেদ বিন খালেদ আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
১৭ মিনিট আগে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড়সংলগ্ন কাজী ওয়াকফ টাওয়ারের উত্তর পাশের সড়কে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি মাঝারি আকারের স্পিকার বক্সসহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত মামুনকে আটক করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
কালীগঞ্জ পৌরসভার তুমুলিয়া মোড় এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল ও ব্যস্ততম একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে চারটি বাস ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এবং শত শত যানবাহন এই পথ দিয়ে চলাচল করে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকা বিদ্যুতের খুঁটির গোড়ায় পর্যাপ্ত মাটি নেই।
৩৪ মিনিট আগে