
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) ও তিন বছরের কন্যা সাদিয়া আক্তার।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে চারজনের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ধারণা, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে, জামাই ও নাতি-নাতনিকে যারা হত্যা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান (পিপিএম) বলেন, চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

খয়ের বাড়ি গ্রামের আতিয়ার রহমান বলেন, ‘পীরগঞ্জের স্লুইসগেটের জলকপাট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না। আমাদের ধান পুরো পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
২ ঘণ্টা আগে
হাবিবুর রহমান জানান, তার বড় ভাই মুহিবুর উচ্চশিক্ষার আশায় কয়েক বছর আগে রাশিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে আড়াই বছর পড়ালেখা করেন। এরপর দেশে এসে এক মাস থেকে আবার রাশিয়া চলে যান। সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর পরিবারের সদস্যদের জানান তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর রান্নার কাজ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী নগরের পাঁচটি মহল্লায় চার দশক ধরে বসবাস করা অন্তত ৭৫০ পরিবার হঠাৎ উচ্ছেদের মুখে পড়েছে। জমির মালিকানা দাবি করে ওয়ারিশদের উদ্যোগে গত রোববার অভিযান চালিয়ে ২৩টি ঘর ভেঙে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে উচ্ছেদ বন্ধ হলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
৭ ঘণ্টা আগে
নওগাঁর রাণীনগরে পাকা সড়ক ঘেঁষে গড়ে তোলা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উপজেলার আবাদপুকুর বাজার এলাকার কুতকুতি তোলা মোড় থেকে বাজারের চারমাথা মোড় পর্যন্ত এই অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে