নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁয় যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূর শরীরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই গৃহবধূ ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানীপুর মধ্যেপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগ, যৌতুকের টাকা না পেয়ে এবং পরকীয়া প্রেমের বাধা দেওয়াই মারপিট করে স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছেন স্বামী গোলাম রাব্বানী। শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যাওয়ায় তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন। অগ্নিদগ্ধ ফজিলাতুন নেছা (২৫) সদর উপজেলার কোমইগাড়ী এলাকার ফজলুর হোসেনের মেয়ে।
এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা গতকাল বুধবার ফজলুর হোসেন বাদী হয়ে গোলাম রাব্বানীসহ তাঁর পরিবারের ৪ সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ গোলাম রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
ভুক্তভোগীর স্বজন ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে বিয়ে হয় ফজিলাতুন নেছার। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন গোলাম রাব্বানী। বিষয়টি তাঁর স্ত্রী জানতে পারলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলাম রাব্বানী তাঁর স্ত্রীর কাছে যৌতুক বাবদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন। এরপর থেকেই স্ত্রী ফজিলাতুন নেছাকে মাঝেমধ্যেই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন গোলাম রাব্বানী ও পরিবারের সদস্যরা।
এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার সকালে আবারও যৌতুকের টাকা দাবি করলে স্ত্রীর অস্বীকৃতি জানায়। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গোলাম রাব্বানী। একপর্যায়ে তাঁর স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে গেলে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রতিবেশীরা ফজিলাতুন নেছাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেলে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ঢাকায় পাঠায় চিকিৎসক।
ফজিলাতুন নেছার বাবা ফজলুর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যৌতুকের জন্য প্রায় আমার মেয়েকে মারপিট করত গোলাম রাব্বানী ও তার পরিবারের সদস্যরা। সে পরকীয়া প্রেমেও আসক্ত ছিল। এর আগে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত আমার মেয়ের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এখন সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আ. ওয়াদুদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত স্বামী গোলাম রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে আরও যারা জড়িত আছে তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নওগাঁয় যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূর শরীরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই গৃহবধূ ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানীপুর মধ্যেপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগ, যৌতুকের টাকা না পেয়ে এবং পরকীয়া প্রেমের বাধা দেওয়াই মারপিট করে স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছেন স্বামী গোলাম রাব্বানী। শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যাওয়ায় তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন। অগ্নিদগ্ধ ফজিলাতুন নেছা (২৫) সদর উপজেলার কোমইগাড়ী এলাকার ফজলুর হোসেনের মেয়ে।
এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা গতকাল বুধবার ফজলুর হোসেন বাদী হয়ে গোলাম রাব্বানীসহ তাঁর পরিবারের ৪ সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ গোলাম রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
ভুক্তভোগীর স্বজন ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে বিয়ে হয় ফজিলাতুন নেছার। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন গোলাম রাব্বানী। বিষয়টি তাঁর স্ত্রী জানতে পারলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলাম রাব্বানী তাঁর স্ত্রীর কাছে যৌতুক বাবদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন। এরপর থেকেই স্ত্রী ফজিলাতুন নেছাকে মাঝেমধ্যেই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন গোলাম রাব্বানী ও পরিবারের সদস্যরা।
এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার সকালে আবারও যৌতুকের টাকা দাবি করলে স্ত্রীর অস্বীকৃতি জানায়। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গোলাম রাব্বানী। একপর্যায়ে তাঁর স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে গেলে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রতিবেশীরা ফজিলাতুন নেছাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেলে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ঢাকায় পাঠায় চিকিৎসক।
ফজিলাতুন নেছার বাবা ফজলুর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যৌতুকের জন্য প্রায় আমার মেয়েকে মারপিট করত গোলাম রাব্বানী ও তার পরিবারের সদস্যরা। সে পরকীয়া প্রেমেও আসক্ত ছিল। এর আগে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত আমার মেয়ের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এখন সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আ. ওয়াদুদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত স্বামী গোলাম রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে আরও যারা জড়িত আছে তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

হোটেল কর্মচারী মিলন নিলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে সাড়া না দেওয়ায় এবং প্রতিবাদ করায় নিলির ওপর ক্ষিপ্ত হন মিলন। পরে তিনি তাকে হত্যা করেন। এ ঘটনার পর মিলন মল্লিক তাঁর গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মান্ডা বাঁশখালী এলাকায় পালিয়ে যান।
৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম (২২) হত্যা মামলায় ১০ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর নগরীর খুলশী থানার টাইগারপাস আমবাগান...
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘আমরা বলতে পারি, বিজয় আমাদের হয়েই গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
গণভোটে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ব্যালটের টিক চিহ্ন মানেই ঠিক। এটাই হবে আগামীর বাংলাদেশ। আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির...
১ ঘণ্টা আগে