নওগাঁ ও নিয়ামতপুর প্রতিনিধি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে সমর্থন করার জন্য উপকারভোগীদের আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। এ উন্নয়নের গতি কেউ থামাতে পারবে না। যে কারণে দেশের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিয়ামতপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হাঁস, হাঁসের ঘর ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান সরকার উন্নয়নে বিশ্বাসী। সরকারের বাস্তবমুখী কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাবলম্বী হয়েছে। অবহেলিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষজন আজ আলোকিত। তাঁরা আর পিছিয়ে নেই, উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত তারা। এটাই শেখ হাসিনার বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।’
মন্ত্রী সাধন চন্দ্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থানের ওপর জোর দিয়েছেন। গ্রামীণ নারীরাও এখন বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে যুক্ত হয়ে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করছেন।’
তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয়, বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়নের অদম্য গতি কেউ থামাতে পারবে না।’ তাই আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ মোরশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা বেগম, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইয়ামিন আলী।
অনুষ্ঠানে ৩৩২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নাগরিককে বিনা মূল্যে ২০টি করে হাঁস,১টি করে হাঁসের ঘর ও হাঁসের খাবার বিতরণ করা হয়।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে সমর্থন করার জন্য উপকারভোগীদের আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। এ উন্নয়নের গতি কেউ থামাতে পারবে না। যে কারণে দেশের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিয়ামতপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হাঁস, হাঁসের ঘর ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান সরকার উন্নয়নে বিশ্বাসী। সরকারের বাস্তবমুখী কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাবলম্বী হয়েছে। অবহেলিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষজন আজ আলোকিত। তাঁরা আর পিছিয়ে নেই, উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত তারা। এটাই শেখ হাসিনার বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।’
মন্ত্রী সাধন চন্দ্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থানের ওপর জোর দিয়েছেন। গ্রামীণ নারীরাও এখন বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে যুক্ত হয়ে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করছেন।’
তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয়, বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়নের অদম্য গতি কেউ থামাতে পারবে না।’ তাই আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ মোরশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা বেগম, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইয়ামিন আলী।
অনুষ্ঠানে ৩৩২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নাগরিককে বিনা মূল্যে ২০টি করে হাঁস,১টি করে হাঁসের ঘর ও হাঁসের খাবার বিতরণ করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে