শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুর জেলা শহরের রঘুনাথ বাজারের কোরাইশী কমপ্লেক্সে মোবাইল ফোনের দোকানে চুরি করে পালানোর সময় আন্তজেলা চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিনটি ব্যাগভর্তি ৫৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শহরের নওহাটা মহল্লার মো. আকরাম, গৌরীপুর মহল্লার বাবু, খরমপুর মহল্লার শিমুল মিয়া, পূর্ব সুলতানপুর গ্রামের হৃদয় রহমান, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরসামসউদ্দিন গ্রামের রাসেল, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মাইকভাঙ্গা গ্রামের রিয়াজু, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের মো. হোসেন, একই উপজেলার বিল্লালপুর গ্রামের ইউনুস, রাজধানীর লালবাগ শহীদনগর এলাকার রানা ও মো. ফারুক।
পুলিশ ও দোকান মালিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতে শহরের রঘুনাথবাজারস্থ কোরাইশী কমপ্লেক্সের মাহি টেলিকমের মালিক মো. কামারুজ্জামান মিন্টু তালুকদার তাঁর দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান। আজ ভোরে চোর চক্র কোরাইশী কমপ্লেক্সের প্রধান গেটের তালা কেটে ভেতরে ঢুকে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে ৫৫টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন চুরি করে। ফোনগুলো ব্যাগে ভরে নিয়ে পালানোর সময় শহরের টহল পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আইনাল হকের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে দুটি রড কাটার মেশিনসহ তিনটি ব্যাগে ৫৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

দোকানের মালিক মো. কামারুজ্জামান মিন্টু তালুকদার জানান, তাঁর দোকান থেকে চুরি করে পালানোর সময় জব্দ মোবাইল ফোনগুলোর মূল্য প্রায় ১১ লাখ টাকা।
পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছেন কি না, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শেরপুর জেলা শহরের রঘুনাথ বাজারের কোরাইশী কমপ্লেক্সে মোবাইল ফোনের দোকানে চুরি করে পালানোর সময় আন্তজেলা চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিনটি ব্যাগভর্তি ৫৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শহরের নওহাটা মহল্লার মো. আকরাম, গৌরীপুর মহল্লার বাবু, খরমপুর মহল্লার শিমুল মিয়া, পূর্ব সুলতানপুর গ্রামের হৃদয় রহমান, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরসামসউদ্দিন গ্রামের রাসেল, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মাইকভাঙ্গা গ্রামের রিয়াজু, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের মো. হোসেন, একই উপজেলার বিল্লালপুর গ্রামের ইউনুস, রাজধানীর লালবাগ শহীদনগর এলাকার রানা ও মো. ফারুক।
পুলিশ ও দোকান মালিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতে শহরের রঘুনাথবাজারস্থ কোরাইশী কমপ্লেক্সের মাহি টেলিকমের মালিক মো. কামারুজ্জামান মিন্টু তালুকদার তাঁর দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান। আজ ভোরে চোর চক্র কোরাইশী কমপ্লেক্সের প্রধান গেটের তালা কেটে ভেতরে ঢুকে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে ৫৫টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন চুরি করে। ফোনগুলো ব্যাগে ভরে নিয়ে পালানোর সময় শহরের টহল পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আইনাল হকের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে দুটি রড কাটার মেশিনসহ তিনটি ব্যাগে ৫৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

দোকানের মালিক মো. কামারুজ্জামান মিন্টু তালুকদার জানান, তাঁর দোকান থেকে চুরি করে পালানোর সময় জব্দ মোবাইল ফোনগুলোর মূল্য প্রায় ১১ লাখ টাকা।
পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছেন কি না, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে