মো. জাকিরুল ইসলাম, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব বলরামপুর গ্রামের প্রান্তিক কৃষক সিরাজ আলী। গত মঙ্গলবার বাজারে ধান বিক্রি করতে বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়ির সামনের সড়কে পা দিতেই বিপাকে পড়েন। পুরো সড়কে ছোট-বড় গর্তে জমেছে কাদাপানি। পায়ে হেঁটে চলাও দায়। ঠেলাগাড়ি নামালে তা ঢুকে যায় হাঁটুসমান কাদায়। কয়েকজন মিলে ঠেলে ধাক্কা দিয়ে দুই কিলোমিটার সড়ক পার হতে হয়।
সিরাজ আলী আক্ষেপ করে বলেন, ‘দুইডা ধান বাজারে নিবার চাইলেও প্যাকের (কাঁদা) মধ্যে নেওন যায় না। কয়েকজন মিল্লা ঠেইলা ধাক্কায়া নেওন লাগে। বর্ষা আইলে আমগোর এই কষ্টের সীমা থাহে না। এই কষ্ট মেলা বছর ধইরা। চেয়ারম্যান-মেম্বারগো কইয়া কোনো লাভ অইল না। মাপজোক তো মেলা অইল, সড়ক আর পাকা অইল কই। রাইত অইলে বিপদ আরও বাড়ে। আল্লায় জানে, কবে মুক্তি পাইব এই কষ্ট থাইক্কা।’
সরেজমিনে দেখা যায়, ধোবাউড়া উপজেলার সরকারি স্টেডিয়াম চৌরাস্তা থেকে রুস্তম মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি বর্ষায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। চরেরভিটা, পূর্ব দর্শা, কাঁঠালিপাড়া, পূর্ব বলরামপুর ও বিলপাড়া—এই পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিদিন হাঁটুসমান কাদা মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এই সড়কে ধুলোবালুর ঝড় ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দা জুবেদ ও হুকুম আলী বলেন, ‘আমাদের দুর্ভোগের কথা বলে শেষ করা যাবে না। নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না।’
একই এলাকার কলেজছাত্র রিয়াদ হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই সড়ক দিয়ে যাওয়া যায় না। দ্রুত এই সড়ক পাকা করার দাবি জানাচ্ছি।’
সড়কটির অবস্থান তুলনামূলক নিচু এলাকায় জানিয়ে ধোবাউড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (মুকুল) বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে শুষ্ক মৌসুমে কাজ শুরু হবে।’
এ ব্যাপারে ধোবাউড়া উপজেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম বলেন, এটি একটি গ্রামীণ কাঁচা সড়ক। সড়ক বিভাগের আইডিতে এই সড়ক নেই। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইউএনও স্যারের মাধ্যমে আবেদন করলে পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব বলরামপুর গ্রামের প্রান্তিক কৃষক সিরাজ আলী। গত মঙ্গলবার বাজারে ধান বিক্রি করতে বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়ির সামনের সড়কে পা দিতেই বিপাকে পড়েন। পুরো সড়কে ছোট-বড় গর্তে জমেছে কাদাপানি। পায়ে হেঁটে চলাও দায়। ঠেলাগাড়ি নামালে তা ঢুকে যায় হাঁটুসমান কাদায়। কয়েকজন মিলে ঠেলে ধাক্কা দিয়ে দুই কিলোমিটার সড়ক পার হতে হয়।
সিরাজ আলী আক্ষেপ করে বলেন, ‘দুইডা ধান বাজারে নিবার চাইলেও প্যাকের (কাঁদা) মধ্যে নেওন যায় না। কয়েকজন মিল্লা ঠেইলা ধাক্কায়া নেওন লাগে। বর্ষা আইলে আমগোর এই কষ্টের সীমা থাহে না। এই কষ্ট মেলা বছর ধইরা। চেয়ারম্যান-মেম্বারগো কইয়া কোনো লাভ অইল না। মাপজোক তো মেলা অইল, সড়ক আর পাকা অইল কই। রাইত অইলে বিপদ আরও বাড়ে। আল্লায় জানে, কবে মুক্তি পাইব এই কষ্ট থাইক্কা।’
সরেজমিনে দেখা যায়, ধোবাউড়া উপজেলার সরকারি স্টেডিয়াম চৌরাস্তা থেকে রুস্তম মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি বর্ষায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। চরেরভিটা, পূর্ব দর্শা, কাঁঠালিপাড়া, পূর্ব বলরামপুর ও বিলপাড়া—এই পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিদিন হাঁটুসমান কাদা মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এই সড়কে ধুলোবালুর ঝড় ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দা জুবেদ ও হুকুম আলী বলেন, ‘আমাদের দুর্ভোগের কথা বলে শেষ করা যাবে না। নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না।’
একই এলাকার কলেজছাত্র রিয়াদ হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই সড়ক দিয়ে যাওয়া যায় না। দ্রুত এই সড়ক পাকা করার দাবি জানাচ্ছি।’
সড়কটির অবস্থান তুলনামূলক নিচু এলাকায় জানিয়ে ধোবাউড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (মুকুল) বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে শুষ্ক মৌসুমে কাজ শুরু হবে।’
এ ব্যাপারে ধোবাউড়া উপজেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম বলেন, এটি একটি গ্রামীণ কাঁচা সড়ক। সড়ক বিভাগের আইডিতে এই সড়ক নেই। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইউএনও স্যারের মাধ্যমে আবেদন করলে পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পাউবোর নীলফামারী উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বাদী হয়ে জলঢাকা থানায় শুক্র ও শনিবার পৃথক দুটি মামলা করেন। এতে ১৯ ও ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৯১ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঘন কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মবহির্ভূতভাবে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গারা পাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব।
৭ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় নেওয়া ১৮টি প্রকল্পের বিল এক মাস আগে স্বাক্ষর হলেও এখন পর্যন্ত টাকা পাননি প্রকল্পের সভাপতিরা। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর বিলে স্বাক্ষর করিয়ে টাকা আটকে রেখে সভাপতিদের ঘুরাচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে