সবুর শুভ, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী। এই দুই নেতাই চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও রক্ত ঝরার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর চট্টগ্রামের রাউজানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একের পর এক সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ জন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী নিহত হন। আর বিএনপি-যুবদলের নিহত হন ৯ জন। পুলিশ সূত্র বলছে, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও মাটি-বালুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হানাহানির ঘটনা ঘটছে। এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত শতাধিক মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। উদ্ধার করা হয়েছে অর্ধশতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র।
এমন আধিপত্য বিস্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সর্বশেষ গত সোমবার মুহাম্মদ জানে আলম সিকদার (৪৮) খুন হন। তিনি উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর বাড়ি ওই ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামে। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ওই দিন মুখোশ পরা দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থেকে মোহাম্মদ জানে আলম সিকদারকে গুলি করে।
এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অভিযোগ, ‘দলের প্রতিপক্ষের লোকজন জানে আলম সিকদারকে হত্যা করেছে।’
পুলিশ সূত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারকে কেন্দ্র করে রাউজানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিভক্ত। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দুজনকেই প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। দুজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ কে পাবেন, তা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে। এ নিয়ে আরও খুনোখুনির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, রাউজানে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সর্বশেষ জানে আলমকে খুনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শিগগির গ্রেপ্তার করা হবে।
জানে আলম খুন হওয়ার আগে রাউজানে সর্বশেষ খুনের ঘটনা ঘটেছে গত ২৫ অক্টোবর। ওই দিন মুহাম্মদ আলমগীর আলম (৪৫) নামের যুবদলের এক কর্মীকে গুলি করে খুন করা হন। তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
এই আধিপত্য বিস্তার ছাড়াও পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র নিয়েও রয়েছে শঙ্কা। তথ্যমতে, পটপরিবর্তনের দিন চট্টগ্রাম শহরের ৮টি থানা ও ৮টি ফাঁড়ি থেকে ৯৪৫টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৭৮০টি অস্ত্র। আর ১৬৫টি অস্ত্র এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাগালের বাইরে। এসব অস্ত্র ভোটের মাঠে ব্যবহার হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে হলে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। যাতে ভোটাররা ভয়হীন পরিবেশ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী। এই দুই নেতাই চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও রক্ত ঝরার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর চট্টগ্রামের রাউজানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একের পর এক সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ জন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী নিহত হন। আর বিএনপি-যুবদলের নিহত হন ৯ জন। পুলিশ সূত্র বলছে, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও মাটি-বালুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হানাহানির ঘটনা ঘটছে। এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত শতাধিক মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। উদ্ধার করা হয়েছে অর্ধশতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র।
এমন আধিপত্য বিস্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সর্বশেষ গত সোমবার মুহাম্মদ জানে আলম সিকদার (৪৮) খুন হন। তিনি উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর বাড়ি ওই ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামে। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ওই দিন মুখোশ পরা দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থেকে মোহাম্মদ জানে আলম সিকদারকে গুলি করে।
এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অভিযোগ, ‘দলের প্রতিপক্ষের লোকজন জানে আলম সিকদারকে হত্যা করেছে।’
পুলিশ সূত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারকে কেন্দ্র করে রাউজানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিভক্ত। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দুজনকেই প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। দুজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ কে পাবেন, তা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে। এ নিয়ে আরও খুনোখুনির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, রাউজানে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সর্বশেষ জানে আলমকে খুনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শিগগির গ্রেপ্তার করা হবে।
জানে আলম খুন হওয়ার আগে রাউজানে সর্বশেষ খুনের ঘটনা ঘটেছে গত ২৫ অক্টোবর। ওই দিন মুহাম্মদ আলমগীর আলম (৪৫) নামের যুবদলের এক কর্মীকে গুলি করে খুন করা হন। তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
এই আধিপত্য বিস্তার ছাড়াও পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র নিয়েও রয়েছে শঙ্কা। তথ্যমতে, পটপরিবর্তনের দিন চট্টগ্রাম শহরের ৮টি থানা ও ৮টি ফাঁড়ি থেকে ৯৪৫টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৭৮০টি অস্ত্র। আর ১৬৫টি অস্ত্র এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাগালের বাইরে। এসব অস্ত্র ভোটের মাঠে ব্যবহার হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে হলে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। যাতে ভোটাররা ভয়হীন পরিবেশ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

যমুনা রেলসেতু-ঈশ্বরদী রেলপথে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ঘাটিনা, পাবনার মুলাডুলি ও দিলপাশার এলাকায় একাধিক স্থানে রেলহেডে (দুই পাতের সংযোগ) ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে দিলপাশার এলাকায় ভাঙা অংশ তাৎক্ষণিক মেরামত করা হলেও অন্য দুই স্থানে এখনো সংস্কার কাজ শুরু হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের সহযোগী (জুনিয়র) জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট রায়হান মারধরের শিকার হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে বরিশাল নগরের সিঅ্যান্ডবি রোডে জয়নুল আবেদিনের বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
জবানবন্দিতে ত্রিদিব হত্যার দায় স্বীকারের পাশাপাশি জানায়, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বিএনপি নেতা আলমগীরের ‘মেয়ের জামাই’ পরশ ও প্রতিবেশী সাগর। তিনি জবানবন্দিতে আরও জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যার আগে প্রিন্স নামের একজন তাঁকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। জাতীয় সংসদীয় আসন-২১৪ এলাকার নির্বাচনী অনুসন্ধানী বিচারিক কমিটির সিভিল জজ...
৪ ঘণ্টা আগে