ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ভিমরুলের কামড়ে মেয়েসহ মসজিদের ইমামের মৃত্যুর পর ছেলে সিফাত উল্লাহও (৬) মারা গেছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যায় শিশুটি। ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার সিফাত উল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ইমাম উপজেলার দুধনই গ্রামের চান্দু মেম্বারের ছেলে মাওলানা আবুল কাশেম (৫০)। ভিমরুলের কামড়ে মারা যাওয়া তার মেয়ের নাম লাবিবা আক্তার (৮)। আবুল কাশেম দুধনই বাজার জামে মসজিদে ইমামতি করতেন এবং মেয়ে লাবিবা ইদারাতুল কোরআন মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে দুধনই বাজার থেকে লাকড়ি আনার জন্য মেয়ে লাবিবা ও ছেলে সিফাতুল্লাহকে নিয়ে নৌকা দিয়ে যাচ্ছিলেন আবুল কাশেম। বাড়ির পাশেই একটি বাঁশঝাড়ে নৌকা আটকে যায়। তখন ভিমরুলের ঝাঁক তাদের আক্রমণ করে। এ সময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বাবা আবুল কাশেম ও ছেলে সিফাতুল্লাহকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে বেলা ১টার দিকে আবুল কাশেম মারা যান। এরপর বেলা ৩টার দিকে ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যায় মেয়ে লাবিবা। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিফাত উল্লাহও মারা যায়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানান ওসি মো. আল মামুন। এ ঘটনার খবর পেয়ে নিহতের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশাত শারমিন। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের কাছে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
আরও খবর পড়ুন:

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৪ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৪ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৪ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৪ ঘণ্টা আগে