নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শারমিন স্টিল মিলের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন শ্রমিক ইকবাল হোসেন (২৫) মারা গেছেন। এ নিয়ে দগ্ধ পাঁচজনেরই মৃত্যু হলো।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আজ সোমবার ভোরে ইকবালের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
ইকবালের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বরুয়াজানি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. খাইরুল ইসলাম। তিনি অন্য চার শ্রমিকের সঙ্গে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাতেই থাকতেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, ইকবালের শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
আজ সকালে বরুয়াজানি গ্রামে গেলে কথা হয় ইকবালের বাবা খাইরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি কেঁদে কেঁদে বলছেন, ‘আশা করছিলাম পুলাডা আমার বেঁচে বাড়ি ফিরবে। কপালডা আমার সহিলো না। পুলাডা আমার লাশ হয়েই বাড়িতে আইলো। আমি মনে করছিলাম সবার শরীল বেশি পুড়ছে, তাই তারা মইরা গেছে। আমার বাজান তো কম পুড়ছিল। গ্যাসের আগুন আমার পুলারেও আমার কাছ থেকে কাইড়া নিয়া গেল। তুমরা আমার বাজানরে মাফ কইরা দিও গো।’
সংশ্লিষ্ট কাকরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়ামুল কাউসার বলেন, ‘দগ্ধ হওয়া পাঁচজনের চারজনই আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিল। এর মাঝে সবাই মারা গেল। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি যত দূর পারি পরিষদের পক্ষ থেকে এই পরিবারগুলোর পাশে থাকার চেষ্টা করব।’
এর আগে, গত ১৪ অক্টোবর ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের সৈয়দপাড়া এলাকায় শারমিন স্টিল মিলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ইকবাল হোসেন, মোজাম্মেল হক, সাইফুল ইসলাম, জাকারিয়া ও শরিফুল ইসলাম নামের পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ হন।
যার মধ্যে চারজনের বাড়িই শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বরুয়াজানি গ্রামে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পর্যায়ক্রমে চার শ্রমিক মারা যাওয়ার পর গতকাল রাতে মারা যান ইকবাল হোসেন।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শারমিন স্টিল মিলের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন শ্রমিক ইকবাল হোসেন (২৫) মারা গেছেন। এ নিয়ে দগ্ধ পাঁচজনেরই মৃত্যু হলো।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আজ সোমবার ভোরে ইকবালের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
ইকবালের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বরুয়াজানি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. খাইরুল ইসলাম। তিনি অন্য চার শ্রমিকের সঙ্গে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাতেই থাকতেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, ইকবালের শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
আজ সকালে বরুয়াজানি গ্রামে গেলে কথা হয় ইকবালের বাবা খাইরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি কেঁদে কেঁদে বলছেন, ‘আশা করছিলাম পুলাডা আমার বেঁচে বাড়ি ফিরবে। কপালডা আমার সহিলো না। পুলাডা আমার লাশ হয়েই বাড়িতে আইলো। আমি মনে করছিলাম সবার শরীল বেশি পুড়ছে, তাই তারা মইরা গেছে। আমার বাজান তো কম পুড়ছিল। গ্যাসের আগুন আমার পুলারেও আমার কাছ থেকে কাইড়া নিয়া গেল। তুমরা আমার বাজানরে মাফ কইরা দিও গো।’
সংশ্লিষ্ট কাকরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়ামুল কাউসার বলেন, ‘দগ্ধ হওয়া পাঁচজনের চারজনই আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিল। এর মাঝে সবাই মারা গেল। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি যত দূর পারি পরিষদের পক্ষ থেকে এই পরিবারগুলোর পাশে থাকার চেষ্টা করব।’
এর আগে, গত ১৪ অক্টোবর ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের সৈয়দপাড়া এলাকায় শারমিন স্টিল মিলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ইকবাল হোসেন, মোজাম্মেল হক, সাইফুল ইসলাম, জাকারিয়া ও শরিফুল ইসলাম নামের পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ হন।
যার মধ্যে চারজনের বাড়িই শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বরুয়াজানি গ্রামে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পর্যায়ক্রমে চার শ্রমিক মারা যাওয়ার পর গতকাল রাতে মারা যান ইকবাল হোসেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৬ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে