ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে নূরনবী হক জিসান (২৬) নামে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বেলা আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নূরনবী হক জিসান ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের নজরুল হকের ছেলে। তিনি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে কারাগারের ভেতরের ওয়ার্ডে সিঁড়ির রেলিং থেকে মাথা ঘুরে পড়ে যান। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
মাথায় আঘাত পাওয়ায় কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, জিসানের মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আগে থেকে কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন কি না, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই পরিষ্কার হবে। ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর জিসানের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জিসানের ভগ্নিপতি ফারুক হোসেন বলেন, ‘মৃত্যুর পর আমাদের খবর দেওয়া হয়েছে। ১২টার দিকে ঘটনা ঘটলেও কেন আমাদের বিকেল ৩টার দিকে জানানো হলো। একটা সুস্থ-সবল মানুষ মাথা ঘুরিয়ে পড়ে কোনোভাবেই মরতে পারে না। আমরা একটা অভিযোগ করতে থানায় গেয়েছিলাম। তাতেও ব্যর্থ হয়েছি। আমরা মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই।’

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে নূরনবী হক জিসান (২৬) নামে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বেলা আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নূরনবী হক জিসান ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের নজরুল হকের ছেলে। তিনি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে কারাগারের ভেতরের ওয়ার্ডে সিঁড়ির রেলিং থেকে মাথা ঘুরে পড়ে যান। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
মাথায় আঘাত পাওয়ায় কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, জিসানের মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আগে থেকে কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন কি না, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই পরিষ্কার হবে। ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর জিসানের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জিসানের ভগ্নিপতি ফারুক হোসেন বলেন, ‘মৃত্যুর পর আমাদের খবর দেওয়া হয়েছে। ১২টার দিকে ঘটনা ঘটলেও কেন আমাদের বিকেল ৩টার দিকে জানানো হলো। একটা সুস্থ-সবল মানুষ মাথা ঘুরিয়ে পড়ে কোনোভাবেই মরতে পারে না। আমরা একটা অভিযোগ করতে থানায় গেয়েছিলাম। তাতেও ব্যর্থ হয়েছি। আমরা মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই।’

কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে গুলিতে ও পায়ের রগ কেটে সাবেক ইউপি সদস্যসহ দুজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত আটজন। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলীয়ারা গ্রামের আবুল খায়ের মেম্বার ও সালেহ আহম্মদ মেম্বার গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে
১০ মিনিট আগে
মাদারীপুরের রাজৈরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট শাখার সুস্ময় চক্রবর্তী (২৫) নামে এক কর্মীর কাছ থেকে নগদ ২৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের কামালদি ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৪ মিনিট আগে
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভা সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুল হক। আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে দাফন শেষে আবারও তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধর থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে কোদালের কোপে এক বৃদ্ধ মা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
১ ঘণ্টা আগে