শিশুকন্যাকে হত্যার পর বাবাকে বিষ পান করিয়ে হত্যা: প্রধান আসামির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে পাঁচ বছরের শিশু তোয়াবা ও তাঁর বাবা গোলাপ হোসেন হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা প্রধান আসামি সোহরাব ব্যাপারীর (৬০) মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের খাসমহল বালুচর চৌরাস্তা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মিথ্যা তথ্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে সোহরাব ব্যাপারীকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে সোহরাবকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সোহরাব ব্যাপারীর প্রাক্তন শিক্ষার্থী বায়েজিদ খান, রনি ও নাজমুল। এ সময় তাঁর মেয়ে সানজিদা আক্তার, ছোট ভাইদের স্ত্রী পারুল ও সেলিনা আক্তারসহ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি।
পুলিশ ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর রাতে সিরাজদিখানের পাথরঘাটা গ্রামে পাঁচ বছরের শিশু তোয়াবাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় তাঁর বাবা গোলাপ হোসেনকে (৩০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং জোরপূর্বক বিষ পান করানো হয়। পরদিন ২৯ অক্টোবর রামকৃষ্ণদী গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে তোয়াবার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গোলাপ।
নিহত গোলাপ হোসেন সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের দোসরপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে। ২৯ অক্টোবর সোহরাব ব্যাপারীকে আটক করে পুলিশ। ওই দিন দিবাগত রাতে গোলাপের বাবা জয়নাল মিয়া বাদী হয়ে সোহরাবকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে সোহরাব কারাগারে রয়েছেন।










