মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টাকালে নিজেদের ছোড়া গুলিতে অন্য এক ডাকাত নিহত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ লঘাটি গ্রামে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম ওরফে ছয়ফুল (৩২)। তিনি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার নন্দীরফল গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ লঘাটি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। ওই বাড়িতে তাঁর আত্মীয় গিয়াস উদ্দিন পরিবার নিয়ে বসবাস করেন এবং বাড়িটি দেখাশোনা করেন। সোমবার গভীর রাতে বৃষ্টির সময় একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ির রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। দরজা ভাঙার শব্দে পরিবারের সদস্যরা জেগে ওঠেন।
এ সময় গিয়াস উদ্দিন রান্নাঘরের দরজার গ্রিল ধরে রাখেন এবং পরিবারের সদস্যদের ফোনে খবর দিতে ও আশপাশের লোকজনকে জানাতে চিৎকার শুরু করেন। একপর্যায়ে ডাকাত দলের এক সদস্য গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে অন্ধকারে ছোড়া সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একই দলের সদস্য সাইফুল ইসলামের মাথায় বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। এ সময় পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অন্য ডাকাতেরা গুলিবিদ্ধ সঙ্গীকে ঘটনাস্থলে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বড়লেখা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, নিহত ডাকাতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অন্য ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৭ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৮ ঘণ্টা আগে