
বান্দরবানের দুর্গম আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং এলাকায় ব্যাপকভাবে বন উজাড়ের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগে প্রভাবশালীরা প্রায় ২০০ একর বনভূমি ধ্বংস করে কাঠ পাচার করছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এদিকে বন উজাড়ের ফলে কিছু এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

ফাল্গুন-চৈত্র এলেই যেন আগুনের ঋতু নেমে আসে গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের অধীনে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিস্তীর্ণ সবুজে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে রহস্যময় আগুনে। প্রতিবছর গ্রাস করে শত শত একর বনভূমি। পুড়ে ছাই হয় শুধু গাছপালা নয়, হারিয়ে যায় বন্য প্রাণী...

টাঙ্গাইলের মধুপুরে গাছ নিধনের পর আগুন লাগিয়ে ৭৫ একর বনভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা চলছে। প্রভাবশালীরা বন দখলের নেপথ্যে থাকায় ঘটনার দুই সপ্তাহ পরেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বনকর্মীরা এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বনভূমির দখল প্রতিরোধ, বনভূমির ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বন ও বৃক্ষ সম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং বনভূমির পরিমাণ হ্রাস রোধের লক্ষ্যে সরকার বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তথ্য বিবরণীতে এ অধ্যাদেশ জারির তথ্য জানানো হয়েছে।