গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছে না মেহেরপুরের গাংনীর কৃষকেরা। কোথাও পানি না পেয়ে পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এ জন্য মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে চাষিদের।
উপজেলার করমদী গ্রামের পাট চাষি বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছি না। তাই বাধ্য হয়ে ১৫ শ টাকা ভাড়া দিয়ে অন্যের পুকুরে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে আমাদের। সব কিছুরই খরচ বেড়ে গেছে। মজুরি খরচ জনপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। তা ছাড়া পাটের ছাল ছাড়ানো, গাড়ি ভাড়া করে জমি থেকে পাট পুকুরে নেওয়া—সব মিলিয়ে পাট চাষে অনেক খরচ। তবে পাটের ভালো দাম পেলে লোকসান গুনতে হবে না চাষিদের।’
ঝোড়াঘাট গ্রামের পাট চাষি ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কিছুদিন আগেও যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছিল, মনে হচ্ছিল খাল-বিল পুকুরে পানি জমবে। কিন্তু পরে আর বৃষ্টি হলো না। তাই সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি দিয়ে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এভাবে পাট জাগ দিতে গিয়ে বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে আমাদের।’
দেবীপুর গ্রামের পুকুর মালিক মো. মিলন হোসেন বলেন, ‘পুকুরে এবার তেমন মাছ ছিল না। তাই যা ছিল ধরে বিক্রি করে দিয়েছি। বিঘাপ্রতি পাট জাগ দিতে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে নিচ্ছি। পাটের মৌসুম চলে গেলে পুকুরের পানি শোধন করে আবার মাছ চাষ করব।’
পাট চাষি আব্দুর রশিদ বলেন, ‘পাট জাগ দিতে গিয়ে সিরিয়াল দিতে হচ্ছে। একজনের হয়ে গেল, তখন আরেকজন দিচ্ছে। তা ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় অনেক পাট রাখা আছে। আবার অনেকে নিজের জমিতে গর্ত করে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিয়ে পাট জাগ দিচ্ছে।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর উপজেলায় ১২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক চাষি পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, পাট জাগ বা পচন দেওয়া নিয়ে চরম ভোগান্তিতে আছে পাট চাষিরা। পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিতে গিয়ে বাড়তি খরচ হচ্ছে তাদের। তবে বৃষ্টি হলে এ দুর্ভোগ থাকবে না।’

পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছে না মেহেরপুরের গাংনীর কৃষকেরা। কোথাও পানি না পেয়ে পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এ জন্য মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে চাষিদের।
উপজেলার করমদী গ্রামের পাট চাষি বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছি না। তাই বাধ্য হয়ে ১৫ শ টাকা ভাড়া দিয়ে অন্যের পুকুরে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে আমাদের। সব কিছুরই খরচ বেড়ে গেছে। মজুরি খরচ জনপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। তা ছাড়া পাটের ছাল ছাড়ানো, গাড়ি ভাড়া করে জমি থেকে পাট পুকুরে নেওয়া—সব মিলিয়ে পাট চাষে অনেক খরচ। তবে পাটের ভালো দাম পেলে লোকসান গুনতে হবে না চাষিদের।’
ঝোড়াঘাট গ্রামের পাট চাষি ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কিছুদিন আগেও যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছিল, মনে হচ্ছিল খাল-বিল পুকুরে পানি জমবে। কিন্তু পরে আর বৃষ্টি হলো না। তাই সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি দিয়ে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এভাবে পাট জাগ দিতে গিয়ে বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে আমাদের।’
দেবীপুর গ্রামের পুকুর মালিক মো. মিলন হোসেন বলেন, ‘পুকুরে এবার তেমন মাছ ছিল না। তাই যা ছিল ধরে বিক্রি করে দিয়েছি। বিঘাপ্রতি পাট জাগ দিতে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে নিচ্ছি। পাটের মৌসুম চলে গেলে পুকুরের পানি শোধন করে আবার মাছ চাষ করব।’
পাট চাষি আব্দুর রশিদ বলেন, ‘পাট জাগ দিতে গিয়ে সিরিয়াল দিতে হচ্ছে। একজনের হয়ে গেল, তখন আরেকজন দিচ্ছে। তা ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় অনেক পাট রাখা আছে। আবার অনেকে নিজের জমিতে গর্ত করে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিয়ে পাট জাগ দিচ্ছে।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর উপজেলায় ১২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক চাষি পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, পাট জাগ বা পচন দেওয়া নিয়ে চরম ভোগান্তিতে আছে পাট চাষিরা। পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিতে গিয়ে বাড়তি খরচ হচ্ছে তাদের। তবে বৃষ্টি হলে এ দুর্ভোগ থাকবে না।’

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৩ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে