মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে রিকশাচালক ইদ্রিস হত্যা মামলার পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নজরুল ইসলামকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ৪। গতকাল শনিবার রাত ১১টায় সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার জয়নাবাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরে র্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জের আঞ্চলিক কার্যালয়ে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর জেলার হরিরামপুর উপজেলার কদমতলি গ্রামে স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমিককে দেখে ফেলায় খুন হন ইদ্রিস আলী। এ মামলায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও প্রেমিক নজরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পরকীয়ার জেরে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর রিকশা চালক ইদ্রিস আলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার গলা কাটা হয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের মা কোমেলা বেগম বাদী হয়ে আসামি নজরুল ইসলাম, সাত্তার মিয়া, সেলিমা আক্তার ও দুলাল মিয়াকে আসামি করে হরিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামি নজরুল ইসলামকে তিন বছর দুই মাস কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে সাত বছর পলাতক ছিলেন।
র্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ অঞ্চলের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আরিফ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ৭ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। নিহত ইদ্রিস আলীর বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে। আসামির বাড়ি ও একই এলাকার কামারঘোনা গ্রামে। আসামি নজরুল পরিচয় গোপন করে সাভার ও আশুলিয়াতে পেশা বদলে ছিলেন। তিনি ভ্যানচালক, হোটেল কর্মচারী হিসেবে বিভিন্ন খানে কাজ করেছেন।

খুলনার নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে উৎস রায় (২৬) নামে নর্থ ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৭ মিনিট আগে
স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে চারজনের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
২ ঘণ্টা আগে
খয়ের বাড়ি গ্রামের আতিয়ার রহমান বলেন, ‘পীরগঞ্জের স্লুইসগেটের জলকপাট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না। আমাদের ধান পুরো পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
২ ঘণ্টা আগে
হাবিবুর রহমান জানান, তার বড় ভাই মুহিবুর উচ্চশিক্ষার আশায় কয়েক বছর আগে রাশিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে আড়াই বছর পড়ালেখা করেন। এরপর দেশে এসে এক মাস থেকে আবার রাশিয়া চলে যান। সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর পরিবারের সদস্যদের জানান তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর রান্নার কাজ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে