সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় সুকুমার রাজবংশী নামের এক যুবক ঠিকাদারের শ্রমিকদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার বাবুল মিয়া (৫৫)। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম।
উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের কান্দাপাড়া জেলেপাড়ার কালীমন্দিরসংলগ্ন খালের ওপর একটি ব্রিজ তৈরির কাজ করছেন সাব-কন্ট্রাক্টর মো. বাবুল মিয়া। অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি তাঁর কাছে কান্দাপাড়া গ্রামের সুকুমার রাজবংশী নামের এক যুবক ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন তিনি। এর জেরে গতকাল রোববার বিকেল ৪টার দিকে সুকুমার রাজবংশী কয়েকজনকে নিয়ে ব্রিজের নির্মাণ সাইটের ঘরে ঢুকে শ্রমিক লাভলু (৫২) ও টুটুল মিয়াকে (৩০) দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে সাটুরিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে মো. বাবুল মিয়া বলেন, ‘এক লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আমার দুই নির্মাণশ্রমিককে মারধর করেছে চাঁদাবাজ সুকুমার রাজবংশী। এ ঘটনায় আমি আজ সকালে সাটুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে কান্দাপাড়া ব্রিজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই সুকুমার রাজবংশী এর আগেও চাঁদার দাবিতে আরেকবার শ্রমিকদের মারধর করেছিল। বিষয়টি তখন স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়। এখন আবার চাঁদার কারণে আরও দুই শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আর যেন কোনো লোক কোনো নির্মাণকাজে চাঁদাবাজি করতে না পারে।’
অভিযুক্ত সুকুমার রাজবংশীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় সুকুমার রাজবংশী নামের এক যুবক ঠিকাদারের শ্রমিকদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার বাবুল মিয়া (৫৫)। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম।
উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের কান্দাপাড়া জেলেপাড়ার কালীমন্দিরসংলগ্ন খালের ওপর একটি ব্রিজ তৈরির কাজ করছেন সাব-কন্ট্রাক্টর মো. বাবুল মিয়া। অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি তাঁর কাছে কান্দাপাড়া গ্রামের সুকুমার রাজবংশী নামের এক যুবক ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন তিনি। এর জেরে গতকাল রোববার বিকেল ৪টার দিকে সুকুমার রাজবংশী কয়েকজনকে নিয়ে ব্রিজের নির্মাণ সাইটের ঘরে ঢুকে শ্রমিক লাভলু (৫২) ও টুটুল মিয়াকে (৩০) দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে সাটুরিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে মো. বাবুল মিয়া বলেন, ‘এক লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আমার দুই নির্মাণশ্রমিককে মারধর করেছে চাঁদাবাজ সুকুমার রাজবংশী। এ ঘটনায় আমি আজ সকালে সাটুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে কান্দাপাড়া ব্রিজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই সুকুমার রাজবংশী এর আগেও চাঁদার দাবিতে আরেকবার শ্রমিকদের মারধর করেছিল। বিষয়টি তখন স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়। এখন আবার চাঁদার কারণে আরও দুই শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আর যেন কোনো লোক কোনো নির্মাণকাজে চাঁদাবাজি করতে না পারে।’
অভিযুক্ত সুকুমার রাজবংশীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে