
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের খলিশাডহুরা এলাকায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর রয়েছে ১৭টি। ঘরগুলোতে বছরের পর বছর তালা ঝুলছে। সেখানে বসবাস না থাকায় অযত্ন অবহেলায় চারপাশ আগাছায় ছেয়ে গেছে। অন্যদিকে একই এলাকার প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো একটি সরকারি ঘরের আশায় এখনো দিন গুনছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর আওতায় খলিশাডহুরা এলাকায় ১৭টি ঘর নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি ঘরে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর ও একটি টয়লেট রয়েছে। ঘরপ্রতি নির্মাণ ব্যয় হয়েছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। নির্মাণ শেষে ঘরগুলো উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
গতকাল রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্পের ১৭টি ঘরের প্রতিটিতেই তালা ঝুলছে। পুরো এলাকা ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে। কয়েকটি ঘরের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। বারান্দায় রাখা হয়েছে খড়, পাওয়ার টিলার, গোবর, ধান মাড়াইয়ের যন্ত্র ও লাকড়ি। অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে ঘরগুলো।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যাচাই-বাছাই ছাড়া অন্য এলাকার সচ্ছল ব্যক্তিদের ঘর বরাদ্দ দেওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রায় ১২-১৩ কিলোমিটার দূরের বালিয়াটি, হাজীপুর ও খলিলাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। বিক্রির উদ্দেশে অনেকেই বিভিন্নভাবে বরাদ্দ নিয়েছিলেন। বিক্রি করা সম্ভব না হওয়ায় ঘরগুলো এখন পড়ে রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘর বরাদ্দ পাওয়া কয়েকজন জানান, তাঁদের জীবিকা ও ব্যবসা বালিয়াটি এলাকায়। প্রতিদিন দূরের পথ পাড়ি দিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করা সম্ভব নয়। তাই ঘরে ওঠা হয়নি।
খলিশাডহুরা গ্রামের বাসিন্দা শাহানাজ বেগম বলেন, ‘মানুষ না থাকায় বারান্দায় লোকজন ট্রাক্টর, মাটি, গোবর ও ভুট্টার গাছ রেখে দিয়েছে। অযত্নে ঘরগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. রমজান আলী বলেন, ‘এলাকার প্রকৃত ভূমিহীনদের নামে ঘর বরাদ্দ চেয়ে একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’
সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘প্রকল্পটি পরিদর্শন করে দেখেছি, ১৭টি ঘরের প্রতিটিতেই তালাবদ্ধ। কোনো উপকারভোগী বসবাস করছেন না।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম বলেন, ‘যাঁরা বরাদ্দ পেয়েও ঘরে বসবাস করছেন না, তাঁদের নোটিশ দিয়ে কারণ জানতে চাওয়া হবে। যেহেতু তাঁদের নামে দলিল সম্পন্ন হয়েছে, তাই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র ১১ জন। কিন্তু ভুলবশত প্রায় ৫০ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্র দিয়ে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। দায়িত্বে গাফিলতির কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে সিসি রাস্তা নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
৯ মিনিট আগে
ঢাকার মিরপুরের ডিওএইসএসের একটি বাসায় আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির তাঁর...
১২ মিনিট আগে
নড়াইলের লোহাগড়ায় পাথর বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে বসতঘরে ঢুকে শামীমা আক্তার সেতু (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে...
১৫ মিনিট আগে