নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা আজ মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগ তদন্তের জন্য পুলিশের তদন্ত ব্যুরোকে (পিবিআই) আদেশ দিয়েছেন।
এদিকে সাটুরিয়া থানা-পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে শিশুটির পরিবার। তবে পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শিশুর মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে গত ১৭ জুন জাকির হোসেন (১৮) নামের এক যুবক ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে আমার মেয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়ে গত রোববার আমাদের কাছে ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়।’
মেয়েটির মা আরও বলেন, ‘মুমূর্ষু অবস্থায় আমার মেয়েকে প্রথমে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিনই তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।’
শিশুর মা বলেন, ‘ঘটনার জানার পর সোমবার সাটুরিয়া থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে এক আত্মীয়ের সহায়তায় মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করি।’
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মেয়েটির মা ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তা পিবিআইকে তদন্ত করতে আদেশ দিয়েছেন।’
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের গাইনি বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক রুমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সে অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।’
মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী থানায় মামলা করতে এসেছিলেন। তাঁদের লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়। কিন্তু পরে আর তাঁরা কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেননি।’

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা আজ মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগ তদন্তের জন্য পুলিশের তদন্ত ব্যুরোকে (পিবিআই) আদেশ দিয়েছেন।
এদিকে সাটুরিয়া থানা-পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে শিশুটির পরিবার। তবে পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শিশুর মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে গত ১৭ জুন জাকির হোসেন (১৮) নামের এক যুবক ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে আমার মেয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়ে গত রোববার আমাদের কাছে ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়।’
মেয়েটির মা আরও বলেন, ‘মুমূর্ষু অবস্থায় আমার মেয়েকে প্রথমে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ওই দিনই তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।’
শিশুর মা বলেন, ‘ঘটনার জানার পর সোমবার সাটুরিয়া থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে এক আত্মীয়ের সহায়তায় মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করি।’
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মেয়েটির মা ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তা পিবিআইকে তদন্ত করতে আদেশ দিয়েছেন।’
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের গাইনি বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক রুমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সে অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।’
মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী থানায় মামলা করতে এসেছিলেন। তাঁদের লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়। কিন্তু পরে আর তাঁরা কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেননি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে