মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পোশাককর্মী মোসাম্মত সাথী আক্তারকে অ্যাসিড ছুড়ে হত্যা করার দায়ে সাবেক স্বামী মো. নাঈম মল্লিককে (৩১) মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়শ্রী সমদ্দার এ রায় ঘোষণা করেন।
অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মথুর নাথ সরকার রায়ে সন্তুষ্ট বলে জানান। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
নিহত সাথী আক্তার সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের কাটাখালী ফেরাজীপাড়ার আব্দুস সাত্তারের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধামরাইয়ের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন।
দণ্ডাদেশ পাওয়া নাঈম মল্লিক সদর উপজেলার বেতিলা এলাকার বাসিন্দা এবং সাথী আক্তারের সাবেক স্বামী।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাবেক স্ত্রী সাথী আক্তারের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন নাঈম মল্লিক। অ্যাসিডে সাথীর হাত-মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। ওই দিন রাতেই গুরুতর আহত অবস্থায় সাথীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
ঘটনার ১২ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাথী আক্তারের মৃত্যু হয়। পরে এই ঘটনায় নিহতের মামা লাল মিয়া বাদী হয়ে ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সাটুরিয়ায় থানায় অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনে নাঈম মল্লিককে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল নাঈম মল্লিককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। আদালতের বিচারক উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আসামির উপস্থিতিতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশের রায় ঘোষণা করেন।
পারিবারিক কলহ ও যৌতুকের দাবিতে শারীরিক নির্যাতনের জেরে ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নাঈম মল্লিকের সঙ্গে সাথী আক্তারের ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর সাথী সাটুরিয়ায় বাবার বাড়িতে থেকে ধামরাই উপজেলার একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পোশাককর্মী মোসাম্মত সাথী আক্তারকে অ্যাসিড ছুড়ে হত্যা করার দায়ে সাবেক স্বামী মো. নাঈম মল্লিককে (৩১) মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়শ্রী সমদ্দার এ রায় ঘোষণা করেন।
অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মথুর নাথ সরকার রায়ে সন্তুষ্ট বলে জানান। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
নিহত সাথী আক্তার সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের কাটাখালী ফেরাজীপাড়ার আব্দুস সাত্তারের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধামরাইয়ের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন।
দণ্ডাদেশ পাওয়া নাঈম মল্লিক সদর উপজেলার বেতিলা এলাকার বাসিন্দা এবং সাথী আক্তারের সাবেক স্বামী।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাবেক স্ত্রী সাথী আক্তারের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন নাঈম মল্লিক। অ্যাসিডে সাথীর হাত-মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। ওই দিন রাতেই গুরুতর আহত অবস্থায় সাথীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
ঘটনার ১২ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাথী আক্তারের মৃত্যু হয়। পরে এই ঘটনায় নিহতের মামা লাল মিয়া বাদী হয়ে ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সাটুরিয়ায় থানায় অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনে নাঈম মল্লিককে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল নাঈম মল্লিককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। আদালতের বিচারক উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আসামির উপস্থিতিতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশের রায় ঘোষণা করেন।
পারিবারিক কলহ ও যৌতুকের দাবিতে শারীরিক নির্যাতনের জেরে ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নাঈম মল্লিকের সঙ্গে সাথী আক্তারের ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর সাথী সাটুরিয়ায় বাবার বাড়িতে থেকে ধামরাই উপজেলার একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে