ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে কোটি টাকা লোপাটের সত্যতা মেলায় এবার মানিকগঞ্জের শিবালয় সদরউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. বাসুদেব কুমার দে শিকদারকে দুই মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে পরিচালনা কমিটি। গত ২৯ মে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভায় তাঁকে ছুটিতে পাঠানোর এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আজ শনিবার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। এর আগেও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ছয় মাসের জন্য অস্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছিল ওই শিক্ষককে।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. জাকির হোসেন ছুটিতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বাসুদেব কুমার দের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ পরিচালনা পরিষদ একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি প্রায় এক মাস আগে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বরাবর তদন্ত রিপোর্ট পেশ করে। তদন্ত রিপোর্টে অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো উঠে আসে। দীর্ঘ দিনেও এর কোনো সুরাহা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষক ও কর্মচারীরা মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের বেতনসহ কলেজের বিভিন্ন উৎস থেকে কোটি টাকার বেশি জমা হয় কলেজের ফান্ডে। অথচ নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের ১৭ মাস ধরে বেতন বন্ধ রেখেছেন এই অধ্যক্ষ। তাঁর ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়েও বিভিন্ন মহলে রয়েছে নানা বিতর্ক। নিরীক্ষা কমিটির তদন্তে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় সোয়া ২ কোটি টাকা আয় হয় বলে তদন্তে প্রকাশ পায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার, নামে-বেনামে অনুদান, যাতায়াত খরচ, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ফি বাবদ নেওয়া অন্তত ১ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ বাসুদেব কুমার বলেন, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের একটি অংশ নানা কারণে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। তাঁরা বরাবরই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসা রটাচ্ছেন। আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। প্রয়োজনে আদালতে এর প্রমাণ হবে।’
ইউএনও মো. জাকির হোসেন বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সভায় তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ বাসুদেব কুমারকে বাধ্যতামূলক দুই মাসের ছুটি দিয়ে আ ন ম বজলুর রশিদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে কোটি টাকা লোপাটের সত্যতা মেলায় এবার মানিকগঞ্জের শিবালয় সদরউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. বাসুদেব কুমার দে শিকদারকে দুই মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে পরিচালনা কমিটি। গত ২৯ মে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভায় তাঁকে ছুটিতে পাঠানোর এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আজ শনিবার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। এর আগেও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ছয় মাসের জন্য অস্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছিল ওই শিক্ষককে।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. জাকির হোসেন ছুটিতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বাসুদেব কুমার দের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ পরিচালনা পরিষদ একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি প্রায় এক মাস আগে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বরাবর তদন্ত রিপোর্ট পেশ করে। তদন্ত রিপোর্টে অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো উঠে আসে। দীর্ঘ দিনেও এর কোনো সুরাহা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষক ও কর্মচারীরা মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের বেতনসহ কলেজের বিভিন্ন উৎস থেকে কোটি টাকার বেশি জমা হয় কলেজের ফান্ডে। অথচ নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের ১৭ মাস ধরে বেতন বন্ধ রেখেছেন এই অধ্যক্ষ। তাঁর ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়েও বিভিন্ন মহলে রয়েছে নানা বিতর্ক। নিরীক্ষা কমিটির তদন্তে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় সোয়া ২ কোটি টাকা আয় হয় বলে তদন্তে প্রকাশ পায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার, নামে-বেনামে অনুদান, যাতায়াত খরচ, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ফি বাবদ নেওয়া অন্তত ১ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ বাসুদেব কুমার বলেন, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের একটি অংশ নানা কারণে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। তাঁরা বরাবরই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসা রটাচ্ছেন। আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। প্রয়োজনে আদালতে এর প্রমাণ হবে।’
ইউএনও মো. জাকির হোসেন বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সভায় তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ বাসুদেব কুমারকে বাধ্যতামূলক দুই মাসের ছুটি দিয়ে আ ন ম বজলুর রশিদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে