
দুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া জেলে সৌখিন খানের (৩৫) লাশ মধুমতী নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে মধুমতী সেতু থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিণে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পাঁচুড়িয়া ঘাট এলাকায় লাশটি ভেসে থাকতে দেখেন স্বজনেরা। পরে মহম্মদপুর থানা-পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মৃত সৌখিন খান মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের পাল্লা চরপাড়া গ্রামের সত্তার খানের ছেলে। জীবিকার জন্য নদীতে মাছ ধরে আসছিলেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত বুধবার রাতে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার সীমান্তবর্তী চন্ডিবিল এলাকার মধুমতী নদীতে মাছ ধরছিলেন সৌখিন। এ সময় আরেকটি নৌকায় এসে কয়েকজন যুবক তাঁকে গালাগাল ও হুমকি দেন। পরে তাঁকে নদীতে বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে মারধর করা হয়। নদীর ব্যারাক অফিসসংলগ্ন স্থানে বইঠার আঘাতে মাথায় আঘাত পেয়ে পানিতে পড়ে যান তিনি। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সৌখিনের ওপর হামলা চালায় ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মৃত সোলেমানের ছেলে জব্বার (৩২) ও একই গ্রামের মাসুদ মোল্যার ছেলে হুমায়ুনসহ আরও দুজন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, স্বজন ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সৌখিনকে উদ্ধার করতে পারেনি। আজ শুক্রবার সকালে নদীতে লাশ ভেসে উঠলে স্বজনেরা শনাক্ত করেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান জানান, সকালে সৌখিন খানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি ফরিদপুরের মধুখালী থানার এলাকায় ঘটেছে, তাই মামলার বিষয়সহ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সেখান থেকেই প্রক্রিয়াধীন থাকবে।
এ ঘটনায় মধুখালী থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরে ফেরার পথে করমজল খালে কুমিরের আক্রমণে প্রাণ হারানো সুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী মুন্নী খাঁ মুন একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
নিজ জেলা পাবনায় চার দিনের সরকারি সফরে দ্বিতীয় দিন গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডায় মিলিত হলেন।
৯ মিনিট আগে
ফেনীর লালপোল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকের মালিক জিল্লুর হোসেন (৪৫) গুরুতর আহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বর্তমানে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গতকাল রোববার উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু করেছে। তবে প্রথম দিনেই ৪০টি বিদ্যালয়ের অন্তত ১০ হাজার খুদে
৬ ঘণ্টা আগে