লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

নাশকতা ও আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের দুই মামলায় লক্ষ্মীপুরে রামগতি ও কমলনগর উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৫৫ নেতা-কর্মীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মমিনুল হক এই জামিন দেন। এর আগে জামিন পাওয়ায় ৫৫ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত সবার জামিন মঞ্জুর করেন। নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ ব্যাপারী।
হারুনুর রশিদ ব্যাপারী জানান, আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে বিএনপির নেতা শাহ মো. শিব্বির, মাহবুবুর রহমান, অপরূপ দাস, ইব্রাহিম হোসেন, মোরশেদ আলম, আবু ছায়েদ দোলনসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৫৫ নেতা-কর্মী ও অজ্ঞাতনামা প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন নেতা-কর্মীরা। আজকে ওই মামলায় নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ৫৫ নেতা-কর্মী। পরে আদালত শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে জামিন মঞ্জুর করেন। এটি একটি সাজানো ও মিথ্যা মামলা ছিল। আসামিরা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করি।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জসিম উদ্দিন বলেন, আসামিরা আওয়ামী লীগের অফিসে নাশকতা-হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। এই মামলায় ৫৫ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁদের জামিন দেন। তবে এই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কি না, সে বিষয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের জানান, রামগতি ও কমলনগরে আওয়ামী লীগের কোনো অফিসে হামলা বা ভাঙচুর করা হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিজেদের অফিস ভাঙচুর করে মিথ্যা গায়েবি মামলা দিয়েছেন। এসব মামলা ও হামলা করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। মামলা দুটি প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ও ১২ ডিসেম্বর রাতে রামগতি ও কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দুই অফিস ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে ওই দিন রামগতি ও কমলনগর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

নাশকতা ও আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের দুই মামলায় লক্ষ্মীপুরে রামগতি ও কমলনগর উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৫৫ নেতা-কর্মীকে জামিন দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মমিনুল হক এই জামিন দেন। এর আগে জামিন পাওয়ায় ৫৫ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত সবার জামিন মঞ্জুর করেন। নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ ব্যাপারী।
হারুনুর রশিদ ব্যাপারী জানান, আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে বিএনপির নেতা শাহ মো. শিব্বির, মাহবুবুর রহমান, অপরূপ দাস, ইব্রাহিম হোসেন, মোরশেদ আলম, আবু ছায়েদ দোলনসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৫৫ নেতা-কর্মী ও অজ্ঞাতনামা প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন নেতা-কর্মীরা। আজকে ওই মামলায় নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ৫৫ নেতা-কর্মী। পরে আদালত শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে জামিন মঞ্জুর করেন। এটি একটি সাজানো ও মিথ্যা মামলা ছিল। আসামিরা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করি।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জসিম উদ্দিন বলেন, আসামিরা আওয়ামী লীগের অফিসে নাশকতা-হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। এই মামলায় ৫৫ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁদের জামিন দেন। তবে এই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কি না, সে বিষয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের জানান, রামগতি ও কমলনগরে আওয়ামী লীগের কোনো অফিসে হামলা বা ভাঙচুর করা হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিজেদের অফিস ভাঙচুর করে মিথ্যা গায়েবি মামলা দিয়েছেন। এসব মামলা ও হামলা করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। মামলা দুটি প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ও ১২ ডিসেম্বর রাতে রামগতি ও কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দুই অফিস ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে ওই দিন রামগতি ও কমলনগর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে