লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকায় ঘরে ঢুকে গৃহবধূ জোসনা আক্তারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছ র্যাব। গতকাল বুধবার রাতে মেঘনা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-১১-এর নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার মো. গোলাম মোর্শেদ। তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেপ্তার আসামিরা জড়িত। তাঁরা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। সবাইকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
গ্রেপ্তার আসামিরা হচ্ছেন সিরাজ উদ্দিন, এরশাদ হোসেন, সাহারা বেগম, জাকির হোসেন, রিমন হোসেন, রাকিব হোসেন ও মো. ইব্রাহিম। এর আগে গত মঙ্গলবার নিহত জোসনার বাবা ইছমাইল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নামসহ অজ্ঞাত চারজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রমজান মাসে ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকার আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশের একটি পুকুরে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মাটি উত্তোলন করে নেন সিরাজ উদ্দিন। এর চার-পাঁচ দিন পর ওই পুকুরে আবারও পানি নিষ্কাশনের জন্য সেচ পাম্প বসান সিরাজ।
এতে বাড়িঘর পুকুরে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বাধা দিলে আলাউদ্দিনের সঙ্গে সিরাজের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হন সিরাজ। এরই মধ্যে ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন সিরাজের ভাই নিজাম উদ্দিন।
ওই বিরোধের জের ধরে গত সোমবার ভোররাত ৩টার দিকে আলাউদ্দিনের বসতঘরে হামলা চালান সিরাজ, নিজামসহ ১৫ জনের একটি দল। এ সময় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আলাউদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী জোছনাকে গুরুতর আহত করেন তাঁরা। পরে স্থানীয়রা আহত স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জোছনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় আলাউদ্দিনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকায় ঘরে ঢুকে গৃহবধূ জোসনা আক্তারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছ র্যাব। গতকাল বুধবার রাতে মেঘনা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-১১-এর নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার মো. গোলাম মোর্শেদ। তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেপ্তার আসামিরা জড়িত। তাঁরা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। সবাইকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
গ্রেপ্তার আসামিরা হচ্ছেন সিরাজ উদ্দিন, এরশাদ হোসেন, সাহারা বেগম, জাকির হোসেন, রিমন হোসেন, রাকিব হোসেন ও মো. ইব্রাহিম। এর আগে গত মঙ্গলবার নিহত জোসনার বাবা ইছমাইল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নামসহ অজ্ঞাত চারজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রমজান মাসে ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকার আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশের একটি পুকুরে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মাটি উত্তোলন করে নেন সিরাজ উদ্দিন। এর চার-পাঁচ দিন পর ওই পুকুরে আবারও পানি নিষ্কাশনের জন্য সেচ পাম্প বসান সিরাজ।
এতে বাড়িঘর পুকুরে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বাধা দিলে আলাউদ্দিনের সঙ্গে সিরাজের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হন সিরাজ। এরই মধ্যে ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন সিরাজের ভাই নিজাম উদ্দিন।
ওই বিরোধের জের ধরে গত সোমবার ভোররাত ৩টার দিকে আলাউদ্দিনের বসতঘরে হামলা চালান সিরাজ, নিজামসহ ১৫ জনের একটি দল। এ সময় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আলাউদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী জোছনাকে গুরুতর আহত করেন তাঁরা। পরে স্থানীয়রা আহত স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জোছনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় আলাউদ্দিনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে