লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সাদ আল আফনান এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.১৭ পেয়েছেন তিনি। জেলার ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন আফনান। ফলাফলে সন্তুষ্ট হলেও তাঁকে বিদেশে পড়ালেখা করানোর স্বপ্ন অধরা রয়ে গেল মায়ের।
আফনান লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকার মৃত সালেহ আহমেদের ছেলে। আজ বুধবার সকালে নিহত আফনানের মা নাছিমা বেগম নিজেদের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে ছেলের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গিয়ে যুবলীগ নেতা-কর্মীর গুলিতে সাদ আল আফনান নিহত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন নাছিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘জড়িতরা এখনো বাইরে রয়েছেন। অথচ ছেলে কবরে শুয়ে আছে। অনতিবিলম্বে সাবেক জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের অপসারিত চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন টিপুসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানাই।’
নাছিমা বেগম বলেন, এইচএসসি পাস করার পর আফনান বিদেশে পড়ালেখা করে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করবে। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে—এই স্বপ্ন ছিল আমাদের। কিন্তু আফনান ঠিকই এইচএসসি পাস করছে। কিন্তু বিদেশে আর পড়ালেখা করা হয়নি। সব আশা-ভরসা শেষ হয়ে গেছে। এখন আর কেউ রইল না। আফনান নিহত হওয়ার তিন মাসে আগে বিদেশে মারা যান তাঁর বাবা।
আফনানের সহপাঠী ও শিক্ষকেরা জানান, আফনান পরীক্ষায় পাস করেছেন। তিনি বেঁচে নেই। কিন্তু তাঁর সবকিছু তাঁদের কাছে বেঁচে আছে। আফনান তাঁদের মাঝে সারা জীবন বেঁচে থাকবেন।
ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বলেন, ‘সাদ আল আফনান ছিল ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী ও নম্র-ভদ্র শিক্ষার্থী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে প্রথম নিহত হয় আফনান। তবে আফনান মারা গেলেও সে আমাদের মাঝে চিরদিন অমর হয়ে থাকবে।’
গত ৪ আগস্ট জেলা শহরের তমিজ মার্কেট এলাকায় নিজের বাসার ছাদ থেকে প্রকাশ্যে এ কে এম সালাউদ্দিন টিপুর নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সাদ আল আফনানসহ চার শিক্ষার্থী নিহত এবং তিন শতাধিক লোক গুলিবিদ্ধ হন।

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সাদ আল আফনান এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.১৭ পেয়েছেন তিনি। জেলার ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন আফনান। ফলাফলে সন্তুষ্ট হলেও তাঁকে বিদেশে পড়ালেখা করানোর স্বপ্ন অধরা রয়ে গেল মায়ের।
আফনান লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকার মৃত সালেহ আহমেদের ছেলে। আজ বুধবার সকালে নিহত আফনানের মা নাছিমা বেগম নিজেদের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে ছেলের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গিয়ে যুবলীগ নেতা-কর্মীর গুলিতে সাদ আল আফনান নিহত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন নাছিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘জড়িতরা এখনো বাইরে রয়েছেন। অথচ ছেলে কবরে শুয়ে আছে। অনতিবিলম্বে সাবেক জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের অপসারিত চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন টিপুসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানাই।’
নাছিমা বেগম বলেন, এইচএসসি পাস করার পর আফনান বিদেশে পড়ালেখা করে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করবে। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে—এই স্বপ্ন ছিল আমাদের। কিন্তু আফনান ঠিকই এইচএসসি পাস করছে। কিন্তু বিদেশে আর পড়ালেখা করা হয়নি। সব আশা-ভরসা শেষ হয়ে গেছে। এখন আর কেউ রইল না। আফনান নিহত হওয়ার তিন মাসে আগে বিদেশে মারা যান তাঁর বাবা।
আফনানের সহপাঠী ও শিক্ষকেরা জানান, আফনান পরীক্ষায় পাস করেছেন। তিনি বেঁচে নেই। কিন্তু তাঁর সবকিছু তাঁদের কাছে বেঁচে আছে। আফনান তাঁদের মাঝে সারা জীবন বেঁচে থাকবেন।
ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বলেন, ‘সাদ আল আফনান ছিল ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী ও নম্র-ভদ্র শিক্ষার্থী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে প্রথম নিহত হয় আফনান। তবে আফনান মারা গেলেও সে আমাদের মাঝে চিরদিন অমর হয়ে থাকবে।’
গত ৪ আগস্ট জেলা শহরের তমিজ মার্কেট এলাকায় নিজের বাসার ছাদ থেকে প্রকাশ্যে এ কে এম সালাউদ্দিন টিপুর নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সাদ আল আফনানসহ চার শিক্ষার্থী নিহত এবং তিন শতাধিক লোক গুলিবিদ্ধ হন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে