নোয়াখালী প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হক মাস্টারকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি জুয়েল হাওলাদারকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ নোয়াখালী। আজ বুধবার ভোরে ঢাকার আশুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জুয়েল হাওলাদারের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজেন্ডার ইউনিয়নের সেবা গ্রামে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হক মাস্টার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি জুয়েল গ্রেপ্তার এড়াতে অনেক দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজেন্ডার এলাকায় জমি থেকে মাটি কাটার জেরে ২০০৯ সালের ২৩ জুন বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী আবদুর রশিদের ছেলে আলাউদ্দিন চৌধুরীর (৫৪) নির্দেশে আসামিরা মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হকের ওপর হামলা চালান। এ সময় কাঠ দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হককে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান তিনি।
জবিউল নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর ভাই হাজি নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে আলা উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নামের রামগতি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ২১ মে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দেন লক্ষ্মীপুর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক বশির আহাম্মদ।
ওই মামলায় স্থানীয় আলা উদ্দিন, আবদুল্লাহ, মাহবুব, স্বপন, জুয়েল ও মাকসুদ হাওলাদারের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। শুনানি শেষে ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক আজিজুল হক মামলার ৫ নম্বর আসামি জুয়েলের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ৩ নম্বর আসামি মাহবুব মাফুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হক মাস্টারকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি জুয়েল হাওলাদারকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ নোয়াখালী। আজ বুধবার ভোরে ঢাকার আশুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জুয়েল হাওলাদারের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজেন্ডার ইউনিয়নের সেবা গ্রামে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হক মাস্টার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি জুয়েল গ্রেপ্তার এড়াতে অনেক দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজেন্ডার এলাকায় জমি থেকে মাটি কাটার জেরে ২০০৯ সালের ২৩ জুন বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী আবদুর রশিদের ছেলে আলাউদ্দিন চৌধুরীর (৫৪) নির্দেশে আসামিরা মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হকের ওপর হামলা চালান। এ সময় কাঠ দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা জবিউল হককে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান তিনি।
জবিউল নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর ভাই হাজি নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে আলা উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নামের রামগতি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ২১ মে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দেন লক্ষ্মীপুর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক বশির আহাম্মদ।
ওই মামলায় স্থানীয় আলা উদ্দিন, আবদুল্লাহ, মাহবুব, স্বপন, জুয়েল ও মাকসুদ হাওলাদারের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। শুনানি শেষে ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক আজিজুল হক মামলার ৫ নম্বর আসামি জুয়েলের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ৩ নম্বর আসামি মাহবুব মাফুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে