লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, এর মূল কারিগরই ছিলেন ছাত্র ও শিক্ষকেরা। বিএনপি সরকার গঠন করলে শিক্ষকদের ন্যায়সংগত সব দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়া হবে।’ আজ শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেলা শাখা আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
এ্যানি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ধরে শিক্ষক, ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ পেশাজীবী মানুষ শেখ হাসিনার নির্যাতনের শিকার ছিলেন। গণহত্যার দায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান স্বৈরাচার হাসিনা। এই দেশের মানুষ খুনি শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে না। তাঁর বিচার বাংলার মাটিতে হবেই হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। আর এই হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের হাত থেকে উদ্ধারে প্রাণ দিয়েছে এ দেশের ছাত্র-জনতা। তাই গণতন্ত্রের ভিত শক্তিশালী করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।’
সংগঠনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘এখন দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। দ্রুত সংস্কার শেষ করে নির্বাচন দিতে হবে। গণতন্ত্রের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করছে বিএনপি। এটি এখনো অব্যাহত রয়েছে। দেশে বর্তমানে যে অন্তর্বর্তী সরকার রয়েছে, তাদের সার্বিক সহযোগিতা করছে বিএনপি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করতে ষড়যন্ত্র করছে শেখ হাসিনা ও তার দোসররা। কোনোভাবেই এই সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন—লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেপি দেওয়ান ও সম্রাট খীসা, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলমসহ জেলা ও উপজেলা শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, এর মূল কারিগরই ছিলেন ছাত্র ও শিক্ষকেরা। বিএনপি সরকার গঠন করলে শিক্ষকদের ন্যায়সংগত সব দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়া হবে।’ আজ শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেলা শাখা আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
এ্যানি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ধরে শিক্ষক, ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ পেশাজীবী মানুষ শেখ হাসিনার নির্যাতনের শিকার ছিলেন। গণহত্যার দায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান স্বৈরাচার হাসিনা। এই দেশের মানুষ খুনি শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে না। তাঁর বিচার বাংলার মাটিতে হবেই হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। আর এই হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের হাত থেকে উদ্ধারে প্রাণ দিয়েছে এ দেশের ছাত্র-জনতা। তাই গণতন্ত্রের ভিত শক্তিশালী করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।’
সংগঠনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘এখন দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। দ্রুত সংস্কার শেষ করে নির্বাচন দিতে হবে। গণতন্ত্রের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করছে বিএনপি। এটি এখনো অব্যাহত রয়েছে। দেশে বর্তমানে যে অন্তর্বর্তী সরকার রয়েছে, তাদের সার্বিক সহযোগিতা করছে বিএনপি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করতে ষড়যন্ত্র করছে শেখ হাসিনা ও তার দোসররা। কোনোভাবেই এই সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন—লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেপি দেওয়ান ও সম্রাট খীসা, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলমসহ জেলা ও উপজেলা শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে