রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে কবলে পড়ে গত সোমবার রাতে নিখোঁজ ১০ জেলের মধ্যে সাতজন বাড়িতে ফিরে এসেছেন। তবে আজ বুধবার বিকেল পর্যন্ত নিখোঁজ ৩ জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের খুঁজতে মেঘনার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছেন স্বজন ও সহকর্মীরা। ওই পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চর কাছিয়া গ্রামের আবুল কাশেম বেপারীর ছেলে লিটন বেপারী (৩৫), আব্দুর রব বেপারীর ছেলে শিপন বেপারী (২৩) ও রব সরদারের ছেলে সুজন সরদার (২৫)।
এদিকে ফিরে আসা জেলেরা হলেন চর কাছিয়া গ্রামের খালেক বেপারী ছেলে রাসেল বেপারী (৩০), রাশেদ বেপারী (১৬), ছোয়াব আলী হাওলাদারের ছেলে রাসেল হাওলাদার (২৮), রাজু বেপারীর ছেলে বাচ্চু বেপারী (২৪), মজিব মোল্লার ছেলে জুনু মোল্লা (২৬), আক্কাছ আলী ভূঁইয়ার ছেলে মো. হাসান (১৮) ও নুর নবী চৌকিদারের ছেলে মো. জুয়েল (১৬)।
জেলে রাসেল হাওলাদার বলেন, মেঘনায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও উত্তাল নদীতে বেশি মাছ পাওয়া যাবে এমন আশায় আমরা নদীতে জাল ফেলি। ওই সময় আমাদের প্রতিবেশী মাইনু মোল্লার নৌকার তলা ফেটে যায়। ওই নৌকাটিকে আমাদের নৌকার সঙ্গে বেঁধে নেই। এরপর হঠাৎ করে ঝোড়ো হাওয়ায় আমাদের নৌকাটিও উলটে যায়।
নিখোঁজ জেলে লিটন বেপারীর স্ত্রী মারুফা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ঝড়ের মধ্যে নদীতে যেতে চাননি। কিন্তু আগে মহাজন রাসেল বেপারীর কাছ থেকে অগ্রিম ৫০০ টাকা নেওয়ায় তিনি মাছ ধরতে যেতে বাধ্য করেন।’
এ বিষয়ে জানতে নৌকার মালিক রাসেল বেপারীর বাড়িতে গিয়েও তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি। তাঁর বাবা খালেক বেপারী জানিয়েছেন দুটি নৌকায় করে আমরা মেঘনার বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে নিখোঁজ তিনজনকে খুঁজছি।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, লিটনের বাবা আবুল কাশেম থানায় নিখোঁজের ঘটনা জানিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। আমরা খোঁজ নেব।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে কবলে পড়ে গত সোমবার রাতে নিখোঁজ ১০ জেলের মধ্যে সাতজন বাড়িতে ফিরে এসেছেন। তবে আজ বুধবার বিকেল পর্যন্ত নিখোঁজ ৩ জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের খুঁজতে মেঘনার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছেন স্বজন ও সহকর্মীরা। ওই পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চর কাছিয়া গ্রামের আবুল কাশেম বেপারীর ছেলে লিটন বেপারী (৩৫), আব্দুর রব বেপারীর ছেলে শিপন বেপারী (২৩) ও রব সরদারের ছেলে সুজন সরদার (২৫)।
এদিকে ফিরে আসা জেলেরা হলেন চর কাছিয়া গ্রামের খালেক বেপারী ছেলে রাসেল বেপারী (৩০), রাশেদ বেপারী (১৬), ছোয়াব আলী হাওলাদারের ছেলে রাসেল হাওলাদার (২৮), রাজু বেপারীর ছেলে বাচ্চু বেপারী (২৪), মজিব মোল্লার ছেলে জুনু মোল্লা (২৬), আক্কাছ আলী ভূঁইয়ার ছেলে মো. হাসান (১৮) ও নুর নবী চৌকিদারের ছেলে মো. জুয়েল (১৬)।
জেলে রাসেল হাওলাদার বলেন, মেঘনায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও উত্তাল নদীতে বেশি মাছ পাওয়া যাবে এমন আশায় আমরা নদীতে জাল ফেলি। ওই সময় আমাদের প্রতিবেশী মাইনু মোল্লার নৌকার তলা ফেটে যায়। ওই নৌকাটিকে আমাদের নৌকার সঙ্গে বেঁধে নেই। এরপর হঠাৎ করে ঝোড়ো হাওয়ায় আমাদের নৌকাটিও উলটে যায়।
নিখোঁজ জেলে লিটন বেপারীর স্ত্রী মারুফা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ঝড়ের মধ্যে নদীতে যেতে চাননি। কিন্তু আগে মহাজন রাসেল বেপারীর কাছ থেকে অগ্রিম ৫০০ টাকা নেওয়ায় তিনি মাছ ধরতে যেতে বাধ্য করেন।’
এ বিষয়ে জানতে নৌকার মালিক রাসেল বেপারীর বাড়িতে গিয়েও তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি। তাঁর বাবা খালেক বেপারী জানিয়েছেন দুটি নৌকায় করে আমরা মেঘনার বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে নিখোঁজ তিনজনকে খুঁজছি।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, লিটনের বাবা আবুল কাশেম থানায় নিখোঁজের ঘটনা জানিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। আমরা খোঁজ নেব।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে