কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের ইয়াবা সেবনের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল রোববার ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ছবিটি কবেকার তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সেই ছবিতে দেখা গেছে, উপজেলার চর মার্টিন ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ওমর ফারুক মুন্সি (৪০) ইয়াবা সেবন করছেন। উদোম শরীরে শর্ট প্যান্ট পরে টেবিল সামনে রেখে চেয়ারে বসে মাদক সেবন করছেন তিনি। সামনে টেবিলে গ্যাস লাইট, সিগারেট, ফয়েল পেপার, একটি বোতলে লাল কিছু দেখা যায়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ইয়াবা সেবনের এই ছবি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তাদের অভিযোগ, ফারুক মেম্বার নিয়মিত মাদক সেবন করে থাকেন। তবে এ বিষয়ে কেউ নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।
জানতে চাইলে ওমর ফারুক মুন্সি বলেন, এটা তাঁরই ছবি। কয়েকজন বন্ধু তাঁর বাসায় একদিন ইয়াবা সেবন করেন। সেদিন জোর করে তাঁকেও ইয়াবা সেবন করানো হয়। তবে এই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পেছনে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র দেখছেন ফারুক। তিনি বলেন, তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই এই ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মেম্বার হওয়ার পর তিনি ভালো হয়ে গেছেন।
বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য ফারুকের স্ত্রী গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ডিভোর্স দিয়েছেন। এ বিষয়ে তাঁর স্ত্রী কাঁকন আক্তার বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে আমার এখন আর কোনো সম্পর্ক নেই। ২৫ তারিখ থেকে থেকে আলাদা আছি। তাঁর বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না।’
এ বিষয়ে চর মার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান ইউছুফ আলী মিয়া বলেন, কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায় তাঁর নিজেরই।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তহিদুল ইসলাম বলেন, মেম্বারের কাছে মাদক পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইউপি সদস্যের মাদক সেবনের ছবি তিনি এখনো দেখেননি। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেবেন।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের ইয়াবা সেবনের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল রোববার ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ছবিটি কবেকার তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সেই ছবিতে দেখা গেছে, উপজেলার চর মার্টিন ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ওমর ফারুক মুন্সি (৪০) ইয়াবা সেবন করছেন। উদোম শরীরে শর্ট প্যান্ট পরে টেবিল সামনে রেখে চেয়ারে বসে মাদক সেবন করছেন তিনি। সামনে টেবিলে গ্যাস লাইট, সিগারেট, ফয়েল পেপার, একটি বোতলে লাল কিছু দেখা যায়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ইয়াবা সেবনের এই ছবি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তাদের অভিযোগ, ফারুক মেম্বার নিয়মিত মাদক সেবন করে থাকেন। তবে এ বিষয়ে কেউ নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।
জানতে চাইলে ওমর ফারুক মুন্সি বলেন, এটা তাঁরই ছবি। কয়েকজন বন্ধু তাঁর বাসায় একদিন ইয়াবা সেবন করেন। সেদিন জোর করে তাঁকেও ইয়াবা সেবন করানো হয়। তবে এই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পেছনে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র দেখছেন ফারুক। তিনি বলেন, তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই এই ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মেম্বার হওয়ার পর তিনি ভালো হয়ে গেছেন।
বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য ফারুকের স্ত্রী গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ডিভোর্স দিয়েছেন। এ বিষয়ে তাঁর স্ত্রী কাঁকন আক্তার বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে আমার এখন আর কোনো সম্পর্ক নেই। ২৫ তারিখ থেকে থেকে আলাদা আছি। তাঁর বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না।’
এ বিষয়ে চর মার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান ইউছুফ আলী মিয়া বলেন, কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায় তাঁর নিজেরই।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তহিদুল ইসলাম বলেন, মেম্বারের কাছে মাদক পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচিত্র রঞ্জন দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইউপি সদস্যের মাদক সেবনের ছবি তিনি এখনো দেখেননি। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে