ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শেখ রাসেল হল কর্তৃপক্ষ সিট বরাদ্দের জন্য শিক্ষার্থীদের হল অফিসে ২০০ টাকা জমা দিতে বলেছিল। ৩ অক্টোবর ওই বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার চার দিনের মাথায় ২০০ শিক্ষার্থী সিটের জন্য টাকা জমা দেন। এ ক্ষেত্রে কোনো রসিদও দেওয়া হয়নি। পরে জানা গেল, হলে সিট ফাঁকা আছে মাত্র ২২টি। এমন ঘটনাকে সিট-বাণিজ্য বলে অভিযোগ করেছেন আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা।
আবেদনকারীরা জানান, হল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে সিটসংখ্যা উল্লেখ করেনি। এ জন্য ২২ সিটের বিপরীতে ২০০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। আবেদনকারীরা নগদ ২০০ টাকা দিয়ে আবেদন ফরম কিনে পূরণ করে জমা দিয়েছেন। তবে হল কর্তৃপক্ষ কোনো রসিদ দেয়নি।
আবেদনকারীদের প্রশ্ন, হল কর্তৃপক্ষ সিটের সংখ্যা জেনেও কেন এত আবেদন নিল? হল কর্তৃপক্ষ কি সিট-বাণিজ্য শুরু করেছে?
এদিকে আবেদনের সময় শেষ হওয়ার তিন দিন পর ২২ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে হল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা বলছেন, সাক্ষাৎকার নিয়ে, রেজাল্ট দেখে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু হল প্রশাসন এসব না করেই তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় কোনো নিয়মনীতি অনুসরণ করেনি। তা ছাড়া কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাজেই হাতে হাতে টাকা নেওয়ার কোনো নিয়মও বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই।
এ বিষয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, ‘আমার হলের সব টাকাপয়সার লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করা হয়। এর ব্যত্যয় ঘটানো সম্ভব নয়। সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সশরীরে সাক্ষাৎকার নিয়ে আরও কিছু বিষয় বিবেচনা করা হয়।’
শেখ রাসেল হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত কোনো ফি না। হল কর্তৃপক্ষ ফরমের টাকা নির্ধারণ করেছে। তাই ব্যাংকে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় টাকাপয়সার লেনদেন হয় শাখা অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। শেখ রাসেল হলে হাতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি দেখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কাজ নিয়মের মধ্যে হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শেখ রাসেল হল কর্তৃপক্ষ সিট বরাদ্দের জন্য শিক্ষার্থীদের হল অফিসে ২০০ টাকা জমা দিতে বলেছিল। ৩ অক্টোবর ওই বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার চার দিনের মাথায় ২০০ শিক্ষার্থী সিটের জন্য টাকা জমা দেন। এ ক্ষেত্রে কোনো রসিদও দেওয়া হয়নি। পরে জানা গেল, হলে সিট ফাঁকা আছে মাত্র ২২টি। এমন ঘটনাকে সিট-বাণিজ্য বলে অভিযোগ করেছেন আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা।
আবেদনকারীরা জানান, হল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে সিটসংখ্যা উল্লেখ করেনি। এ জন্য ২২ সিটের বিপরীতে ২০০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। আবেদনকারীরা নগদ ২০০ টাকা দিয়ে আবেদন ফরম কিনে পূরণ করে জমা দিয়েছেন। তবে হল কর্তৃপক্ষ কোনো রসিদ দেয়নি।
আবেদনকারীদের প্রশ্ন, হল কর্তৃপক্ষ সিটের সংখ্যা জেনেও কেন এত আবেদন নিল? হল কর্তৃপক্ষ কি সিট-বাণিজ্য শুরু করেছে?
এদিকে আবেদনের সময় শেষ হওয়ার তিন দিন পর ২২ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে হল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা বলছেন, সাক্ষাৎকার নিয়ে, রেজাল্ট দেখে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু হল প্রশাসন এসব না করেই তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় কোনো নিয়মনীতি অনুসরণ করেনি। তা ছাড়া কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাজেই হাতে হাতে টাকা নেওয়ার কোনো নিয়মও বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই।
এ বিষয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, ‘আমার হলের সব টাকাপয়সার লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করা হয়। এর ব্যত্যয় ঘটানো সম্ভব নয়। সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সশরীরে সাক্ষাৎকার নিয়ে আরও কিছু বিষয় বিবেচনা করা হয়।’
শেখ রাসেল হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত কোনো ফি না। হল কর্তৃপক্ষ ফরমের টাকা নির্ধারণ করেছে। তাই ব্যাংকে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় টাকাপয়সার লেনদেন হয় শাখা অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। শেখ রাসেল হলে হাতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি দেখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কাজ নিয়মের মধ্যে হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
২৮ মিনিট আগে
রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ শহীদ সারোয়ার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি। কারাগারে বসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধ হওয়ায়...
২ ঘণ্টা আগে