কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় থেকে এক অফিস সহায়ককে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় চত্বরে এই ঘটনা ঘটেছে।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাতুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তুলে নিয়ে যাওয়া অফিস সহায়কের নাম মো. দুলাল আলী (৪৫)। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের মেটনগ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনার পর থেকেই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। অভিযুক্ত মোল্লা জফর গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান।
গোস্বামী দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান লাল্টু রহমান বলেন, ‘সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা জাফরের নেতৃত্বে দুইটি মোটরসাইকেলে ৪-৫ জন ভূমি অফিসে ঢুকে অফিস সহায়ক দুলালকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার দিকে যেতে দেখেছে।’
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, ‘জানতে পেরেছি যে ভিপি জমির রেকর্ড নিয়ে দ্বন্দ্বে অফিস সহায়ক দুলালকে সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন তুলে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’
ইউনিয়ন ভূমি অফিস চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। ঘটনার পর আতঙ্কে ভূমি অফিস তালা মেরে চলে গেছেন কর্মচারীরা।
টিপু নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমি বাজারে এসে দেখি ভূমি অফিসে তালা দেওয়া।
এ বিষয়ে জানার জন্য সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা জাফরের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি কল ধরেননি।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, অফিস সহায়ক দুলালকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় থেকে এক অফিস সহায়ককে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় চত্বরে এই ঘটনা ঘটেছে।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাতুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তুলে নিয়ে যাওয়া অফিস সহায়কের নাম মো. দুলাল আলী (৪৫)। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের মেটনগ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনার পর থেকেই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। অভিযুক্ত মোল্লা জফর গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান।
গোস্বামী দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান লাল্টু রহমান বলেন, ‘সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা জাফরের নেতৃত্বে দুইটি মোটরসাইকেলে ৪-৫ জন ভূমি অফিসে ঢুকে অফিস সহায়ক দুলালকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার দিকে যেতে দেখেছে।’
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, ‘জানতে পেরেছি যে ভিপি জমির রেকর্ড নিয়ে দ্বন্দ্বে অফিস সহায়ক দুলালকে সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন তুলে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’
ইউনিয়ন ভূমি অফিস চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। ঘটনার পর আতঙ্কে ভূমি অফিস তালা মেরে চলে গেছেন কর্মচারীরা।
টিপু নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমি বাজারে এসে দেখি ভূমি অফিসে তালা দেওয়া।
এ বিষয়ে জানার জন্য সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা জাফরের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি কল ধরেননি।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, অফিস সহায়ক দুলালকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে