কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী রুহুল আমিন। একই সঙ্গে তিনি ওই আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে নিজ নেতা-কর্মীকে লাঙ্গল প্রতীকের হয়ে কাজ করার অনুরোধ করেছেন। আজ শনিবার (১ জানুয়ারি) জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান।
তবে রুহুল আমিনের ছোট ভাই ও জেপির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফফর হোসেন এবং ভাতিজা রানা পারভেজ দাবি করেছেন, ‘সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয়ে হাসপাতালে গিয়ে রুহুল আমিনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কাছে জোর করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।’
তারা বলেন, ‘আমরা বর্তমানে রুহুল আমিনের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ে আছি। তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে।’
সাবেক এই সংসদ সদস্যের ছোট ভাই মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের কেবিন থেকে আমাদের পরিবারের সবাইকে বের করে দিয়ে ভাইয়ের কাছে জোর করে ভিডিও বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে তাঁর পুত্রবধূ ছিলেন। তাকেও বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি দলের উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমার সঙ্গে বা দলের সঙ্গে কথা না বলে ভাই এমন সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন না।’
এর আগে শনিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান।
প্রসঙ্গত, সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমিন আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী রুহুল আমিন। একই সঙ্গে তিনি ওই আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে নিজ নেতা-কর্মীকে লাঙ্গল প্রতীকের হয়ে কাজ করার অনুরোধ করেছেন। আজ শনিবার (১ জানুয়ারি) জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান।
তবে রুহুল আমিনের ছোট ভাই ও জেপির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফফর হোসেন এবং ভাতিজা রানা পারভেজ দাবি করেছেন, ‘সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয়ে হাসপাতালে গিয়ে রুহুল আমিনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কাছে জোর করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।’
তারা বলেন, ‘আমরা বর্তমানে রুহুল আমিনের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ে আছি। তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে।’
সাবেক এই সংসদ সদস্যের ছোট ভাই মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের কেবিন থেকে আমাদের পরিবারের সবাইকে বের করে দিয়ে ভাইয়ের কাছে জোর করে ভিডিও বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে তাঁর পুত্রবধূ ছিলেন। তাকেও বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি দলের উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমার সঙ্গে বা দলের সঙ্গে কথা না বলে ভাই এমন সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন না।’
এর আগে শনিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান।
প্রসঙ্গত, সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমিন আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান উভয়
১৪ মিনিট আগে
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের পক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেওয়া দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রেজেকার স্বামী আবু তাহের (৩৫) তাঁর বড় স্ত্রী মিষ্টি বেগমকে (২৫) সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেট কারে করে শ্বশুরবাড়িতে হাজির হন। আবু তাহের একই ইউনিয়নের পাগলাটারী গ্রামের মজিদুলের ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
মেটা: রংপুর-৩ ও ৪ আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মোট ১৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে