প্রতিনিধি, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম)

কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের গোলেরহাট সরদারটারী গ্রামে ঈদ উপলক্ষে আনন্দ মেলা হয়েছে। গত শনিবার বেলা ৩টায় ভূরুঙ্গামারী মাদারগঞ্জ সড়কের পাশে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, আনন্দ মেলার আয়োজন ঘিরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ে এলাকাটিতে। কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধির বালাই ছিল না সেখানে। আয়োজনে বয়স্কদের দড়ি টানাটানি, যুবকদের টায়ার টানাটানি, হাঁড়িভাঙাসহ গ্রামীণ নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। খেলা শেষে ঘটা করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে জয়ীদের পুরস্কারও দেওয়া হয়। এসব খেলাধুলা দেখতে আশপাশের গ্রামের নানান বয়সী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ শত শত পথচারীর ভিড় জমে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এ মেলায় কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। করোনার সময়ে এ রকম জনসমাগম সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করে।
ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং আয়োজকদের একজন এনামুল হক বলেন, ‘এ সময়ে মেলার আয়োজন করাটা ভুল হয়েছে। তবে আমি আয়োজনে ছিলাম না। গ্রামের উঠতি বয়সী কিছু যুবক এটা করেছে। পরে আমি এই আয়োজন দ্রুত শেষ করতে বলি।’
কেদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘আয়োজনটির বিষয়ে আগে থেকে জানতাম না এবং আমি অতিথিও ছিলাম না। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খেলাধুলাসহ সব আয়োজন বন্ধ করে দিই।’
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম বলেন, ‘ঈদ আনন্দ উৎসব সম্পর্কে কেউ আমাকে অবগত করেনি। বিষয়টি সম্পর্কে জানলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম।’
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর আহমেদ মাছুম জানান, এ-সম্পর্কে তাঁর জানা ছিল না। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটা বাস্তবায়ন করবেন।

কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের গোলেরহাট সরদারটারী গ্রামে ঈদ উপলক্ষে আনন্দ মেলা হয়েছে। গত শনিবার বেলা ৩টায় ভূরুঙ্গামারী মাদারগঞ্জ সড়কের পাশে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, আনন্দ মেলার আয়োজন ঘিরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ে এলাকাটিতে। কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধির বালাই ছিল না সেখানে। আয়োজনে বয়স্কদের দড়ি টানাটানি, যুবকদের টায়ার টানাটানি, হাঁড়িভাঙাসহ গ্রামীণ নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। খেলা শেষে ঘটা করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে জয়ীদের পুরস্কারও দেওয়া হয়। এসব খেলাধুলা দেখতে আশপাশের গ্রামের নানান বয়সী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ শত শত পথচারীর ভিড় জমে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এ মেলায় কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। করোনার সময়ে এ রকম জনসমাগম সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করে।
ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং আয়োজকদের একজন এনামুল হক বলেন, ‘এ সময়ে মেলার আয়োজন করাটা ভুল হয়েছে। তবে আমি আয়োজনে ছিলাম না। গ্রামের উঠতি বয়সী কিছু যুবক এটা করেছে। পরে আমি এই আয়োজন দ্রুত শেষ করতে বলি।’
কেদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘আয়োজনটির বিষয়ে আগে থেকে জানতাম না এবং আমি অতিথিও ছিলাম না। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খেলাধুলাসহ সব আয়োজন বন্ধ করে দিই।’
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম বলেন, ‘ঈদ আনন্দ উৎসব সম্পর্কে কেউ আমাকে অবগত করেনি। বিষয়টি সম্পর্কে জানলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম।’
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর আহমেদ মাছুম জানান, এ-সম্পর্কে তাঁর জানা ছিল না। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটা বাস্তবায়ন করবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে